আল্লাহ ও তাঁর রসূলের ভাষায় কোরআনের মর্যাদা

0
291

আল্লাহ ও তাঁর রসূলের ভাষায় কোরআনের মর্যাদা

‘এ কল্যাণময় কেতাব আমি (তোমাদের জন্যেই) নাযিল করেছি, অতএব তোমরা এর অনুসরণ করো এবং তোমরা (আল্লাহ তায়ালাকে) ভয় করো, হয়তো তোমাদের ওপর (দয়া ও) অনুগ্রহ প্রদর্শন করা হবে।’ (সূরা আল আনয়াম, আয়াত ১৫৫)
‘তবে কি এরা কোরআন সম্পর্কে গবেষণা করে না! না কি এদের অন্তরসমূহের ওপর তালা ঝুলে আছে।’ (সূরা মোহাম্মদ, আয়াত ২৪)
‘অবশ্যই কোরআন এক মহামর্যাদাবান গ্রন্থ, এটি লিপিবদ্ধ রয়েছে একটি (সযত্নে) রক্ষিত গ্রন্থে। পূত পবিত্র ব্যতিরেকে কেউ তা স্পর্শও করতে পারে না।’ (সূরা আল ওয়াকেয়াহ, আয়াত ৭৭-৭৯)
‘হে মানুষ, তোমাদের কাছে তোমাদের মালিকের পক্ষ থেকে নসীহত (বিশিষ্ট একটি কেতাব) এসেছে, (এটা) মানুষের অন্তরে যেসব (ব্যাধি) রয়েছে তার প্রতিকার এবং মোমেনদের জন্যে হেদায়াত ও রহমত। (এহ নবী,) তুমি বলো, (একমাত্র) আল্লাহর দয়া ও তাঁর রহমতের কারণেই (মানুষদের কাছে এই কোরআন নাযিল হয়েছে,) অতএব তারা যেন এ কারণে আনন্দিত হয়, (কেননা) তারা যা কিছু (জ্ঞান ও সম্পদ) জমা করছে এটা তার চাইতে উত্তম।’ (সূরা ইউনুস, আয়াত ৫৭,৫৮)
‘ঈমানদারদের জন্যে এখনো কি সে ক্ষণটি এসে পৌঁছুয়নি যে, আল্লাহর (আযাবের) স্মরণ ও আল্লাহ তায়ালা যা কিছু সত্য (কেতাব) নাযিল করেছেন তার স্মরণে তাদের অন্তরসমূহ বিগলিত হয়ে যাবে এবং তারা (কখনোই) তাদের মতো হবে না, যাদের এর আগে আল্লাহর কেতাব দেয়া হয়েছিলো, অতপর তাদের ওপর এক দীর্ঘকাল অতিবাহিত হয়ে গেলো, ফলে তাদের মনও কঠিন হয়ে গেলো; এদের মধ্যে এক বিরাট অংশই না-ফরমান (থেকে গেলো)!’ (সূরা আল হাদীদ, আয়াত ১৬)
হযরত ওমর বিন খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ (স.) বলেন, আল্লাহ তায়ালা এই কেতাব (কোরআন) দিয়েই কোনো জাতিকে উন্নতি অগ্রগতির স্বর্ণশিখরে পৌঁছে দেন, আবার (অবহেলার কারণে) কোনো জাতিকে কোরআন দিয়েই তিনি উন্নতির আসন থেকে নীচে নামিয়ে আনেন। (মুসলিম)
হযরত জাবের বিন আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নয় বসর রসূলুল্লাহ (স.) মদীনায় অবস্থান করলেন, কিন্তু এর মধ্যে তিনি একবারও হজ্জে যাননি। অতপর দশম বছর হজ্জের ব্যাপারে সাধারণ জনগণের মাঝে ঘোষণা দেয়া হলো ……. , (আরাফায় যাওয়ার পর) যখন সূর্য ঢলে পড়লো তখন তিনি তাঁর কাছওয়া নামক উটনীটি আনার নির্দেশ দিলেন। উটনী প্রস্তুত করা হলে তিনি আরাকা উপত্যাকার মাঝে এসে জনগণের উদ্দেশ্যে (এক ঐতিহাসিক) ভাষণ দেন ….। (ভাষণের এক পর্যায়ে) তিনি বলেন, আমি তোমাদের মাঝে এমন একটি জিনিস রেখে যাচ্ছি যা আঁকড়ে ধরলে তোমরা কখনো পথভ্রষ্ট হবে না এবং তা হলো-আল্লাহর কেতাব। (মুসলিম)
হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ (স.) বলেন, যার মধ্যে কোরআনের কোনো অংশ নেই সে হচ্ছে একটি বিরান ঘরের মতো। (তিরমিযী, দারেমী)

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY