কোরআনএর প্রচার প্রসার বিষয়ক কতিপয় আয়াত

নির্বাচিত আয়াত

0
448

কোরআনএর প্রচার প্রসার বিষয়ক কতিপয় আয়াত

অবশ্যই আমি তোমাকে সত্য (দ্ভীন)-সহ পাঠিয়েছি, (পাঠিয়েছি) আযাবের ভীতি প্রদর্শনকারী ও (জান্নাতের) সুসংবাদবাহী হিসেবে। (জেনে রেখো), তোমাকে জাহান্নামের অধিবাসীদের ব্যাপারে কোনোরকম প্রশ্ন করা হবে না। (সূরা আল বাকারা, আয়াত ১১৯)

(যেভাবে আমি তোমাকে হেদায়াত দিয়েছি) সেভাবেই আমি তোমাদের এক মধ্যপন্থী উম্মতে পরিণত করেছি, যেন তোমরা দুনিয়ার অন্যান্য মানুষদের ওপর (হেদায়াতের) সাক্ষী হয়ে থাকতে পারো এবং রসূলও তোমাদের ওপর সাক্ষী হয়ে থাকতে পারে। যে কেবলার ওপর তোমরা (এতোদিন) প্রতিষ্ঠিত ছিলে আমি তা এ উষ্কেশেই নির্ধারণ করেছিলাম, যাতে করে আমি এ কথাটা জেনে নিতে পারি, তোমাদের মধ্যে কে রসূলের অনুসরণ করে, আর কে তাঁর (অনুসরণ থেকে) ঘাড় ফিরিয়ে নেয়, তাদের ওপর এটা ছিলো কঠিন (পরীক্ষা), অবশ্য আল্লাহ তায়ালা যাদের হেদায়াত দান করেছেন তাদের কথা আলাদা; আল্লাহ তায়ালা এমন নন যে, তিনি তোমাদের ঈমান বিনষ্ট করবেন; অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা মানুষদের সাথে বড়ো দয়ালু ও একান্ত মেহেরবান।  (সূরা আল বাকারা, আয়াত ১৪৩)

যে কল্যাণই তুমি লাভ করো (না কেন, মনে রেখো), তা আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে, আর যেটুকু অকল্যাণ তোমার ওপর আসে তা আসে তোমার নিজের কাছ থেকে; (সূরা আন নেসা, আয়াত ৭৯)

(হে নবী,) তুমি যখন মুসলমানদের মাঝে অবস্থান করবে এবং (যুদ্ধাবস্থায়) যখন তুমি তাদের (ইমামতির) জন্যে (নামাযে) দাঁড়াবে, তখন যেন তাদের একদল লোক তোমার সাথে (নামাযে) দাঁড়ায় এবং তারা যেন তাদের অস্ত্র সাথে (নিয়ে সতর্ক) রাখে; অতপর তারা যখন (নামাযের) সাজদা সম্পন্ন করে নেবে তখন তারা তোমাদের পেছনে থাকবে, দ্ভিতীয় দলÑ যারা (তখনো) নামায পড়েনি তারা তোমার সাথে এসে নামায আদায় করবে, (কিন্তু সর্বাবস্থায়ই) তারা যেন সতর্কতা অবল¤œন করে এবং সশস্ত্র (অবস্থায়) থাকে, (কারণ,) কাফেররা তো এ (সুযোগটুকুই) চায়, যদি তোমরা তোমাদের মালসামানা ও অস্ত্রশস্ত্র সম্পর্কে একটু অসাবধান হয়ে যাও, যাতে করে তারা তোমাদের ওপর (আকস্মিকভাবে) ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে; অবশ্য (অতিরিক্ত) বৃষ্টি বাদলের জন্যে যদি তোমাদের কষ্ট হয় কিংবা শারীরিকভাবে তোমরা যদি অসুস্থ হও, (সূরা আন নেসা, আয়াত ১০২)

এরাই হড়ে– সেসব (হতভাগ্য) ব্যক্তি, যাদের আবাসস্থল হড়ে– জাহান্নাম, যার (আযাব) থেকে মুক্তির কোনো পন্থাই (সেদিন) তারা (খুঁজে) পাবে না।  (সূরা আন নেসা, আয়াত ১২১)

অতপর (হে নবী), তুমি আল্লাহর পথে লড়াই করো, তোমাকে শুধু তোমার কাজকর্মের জন্যেই দায়ী করা হবে, তুমি মোমেনদের (আল্লাহ তায়ালার পথে লড়াই করতে) উদ্ভুদ্ধ করতে থাকো, সম্ভবত আল্লাহ তায়ালা অচিরেই কাফেরদের শক্তি চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবেন; আল্লাহ তায়ালা শক্তিতে প্রবল, শাস্তিদানে তিনি কঠোরতর।  (সূরা আন নেসা, আয়াত ৮৫)

আমি যখনই (জনপদে) কোনো রসূল পাঠিয়েছি, তাকে এ জন্যেই পাঠিয়েছি যে, আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী তাঁর আনুগত্য করা হবে; ভালো হতো এরা যখনি নিজেদের ওপর কোনো যুলুম করবে, তখনি তারা তোমার কাছে (ছুটে) আসবে এবং নিজেদের ক™£তকর্মের জন্যে আল্লাহ তায়ালার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং রসূলও (তাদের জন্যে) ক্ষমা চাইবে, তাহলে তারা অবশ্যই আল্লাহকে পরম ক্ষমাশীল ও অতীব দয়ালু হিসেবে (দেখতে) পেতো!  (সূরা আন নেসা, আয়াত ৬৪)

অবশ্যই আমি সত্য (দ্ভীনের) সাথে তোমার ওপর এ গ্রন্থ নাযিল করেছি, যাতে করে আল্লাহ তায়ালা তোমাকে (ওহী দ্ভারা) যা দেখিয়েছেন তার আলোকে তুমি মানুষদের বিচার মীমাংসা করতে পারো; (মীমাংসার সময়) তুমি কখনো বিশ^াসঘাতকদের পক্ষে তর্ক করো না।  (সূরা আন নেসা, আয়াত ১০৫)

অতপর (হে নবী), তুমি আল্লাহর পথে লড়াই করো, তোমাকে শুধু তোমার কাজকর্মের জন্যেই দায়ী করা হবে, তুমি মোমেনদের (আল্লাহ তায়ালার পথে লড়াই করতে) উদ্ভুদ্ধ করতে থাকো, সম্ভবত আল্লাহ তায়ালা অচিরেই কাফেরদের শক্তি চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবেন; আল্লাহ তায়ালা শক্তিতে প্রবল, শাস্তিদানে তিনি কঠোরতর।  (সূরা আন নেসা, আয়াত

যমীনের রয়েছে বিভিন্ন অংশ, কোথাও আংস্পরের বাগান, (কোথাও) শস্যক্ষেত্র, কোথাও খেজুর, তার (কিছু হয়তো) এক শির বিশিষ্ট (একটার সাথে আরেকটা জড়ানো), আবার (কোনোটি) একাধিক শির বিশিষ্ট, (অথচ এর সব কয়টি উচ্ঞপাদনে) একই পানি সঞ্চালন করা হয়। আমি স্বাদে (গন্ধে) এক ফলকে আরেক ফলের ওপর প্রাধান্য দিয়ে থাকি, (আসলে) এসব কিছুর মধ্যে সে সম্পন্দদায়ের জন্যে বহু নিদর্শন রয়েছে যারা বোধশক্তিসম্পন্ন।  (সূরা আর রাদ, আয়াত ৪)

আমি তোমাকে এভাবেই একটি জাতির কাছে (নবী করে) পাঠিয়েছি, এর আগে অনেক কয়টি জাতি অতিবাহিত হয়ে গেছে, (তাদের কাছেও নবী পাঠিয়েছি) যাতে করে তুমি তাদের কাছে সে (কিতাব) পড়ে শোনাতে পারো, যা আমি তোমার ওপর ওহী করে পাঠিয়েছি, (এ সত্ত্বেও) তারা (আল্লাহ তায়ালাকে) অস্বীকার করে; তুমি বলো, তিনিই আমার রব, তিনি ছাড়া আর দ্ভিতীয় কোনো মাবুদ নেই, আমি তাঁর ওপরই ভরসা করি, তাঁর দিকেই (আমার) প্রত্যাবর্তন।  (সূরা আর রাদ, আয়াত ৩০)

(হে নবী,) তোমার আগেও আমি (অনেক) রসূল পাঠিয়েছি এবং তাদের জন্যে আমি স্ত্রী এবং সন্তান সন্ততিও বানিয়েছিলাম; কোনো রসূলের কাজ এটা নয় যে, আল্লাহর অনুমতি ছাড়া একটি আয়াত সে পেশ করবে; (মূলত) প্রতিটি যুগের জন্যেই রয়েছে এক একটি কিতাব।  (সূরা আর রাদ, আয়াত ৩৮)

এ (কোরআন)-কে আমি সত্য (বাণী) সহকারে নাযিল করেছি এবং সত্য নিয়েই তা নাযিল হয়েছে; আমি তো তোমাকে কেবল (জান্নাতের) সুসংবাদদাতা ও (জাহান্নামের) সতর্ককারী™£পেই প্রেরণ করেছি।  (সূরা বনী ইসরাঈল, আয়াত ১০৫)

(হে নবী,) আমি তো তোমাকে সৃষ্টিকুলের জন্যে রহমত বানিয়েই পাঠিয়েছি।  (সূরা আল আ¤িœয়া, আয়াত ১০৭)

হে নবী, আমি তোমাকে (হেদায়াতের) সাক্ষী (বানিয়ে) পাঠিয়েছি, আরো বানিয়েছি (জান্নাতের) সুসংবাদদাতা ও (জাহান্নামের) সতর্ককারী,  (সূরা আল আহযাব, আয়াত ৪৫)

(হে নবী,) আমি তোমাকে সমগ্র মানব জাতির জন্যে (জান্নাতের) সুসংবাদদাতা ও (জাহান্নামের) সতর্ককারী™£পে পাঠিয়েছি, কিন্তু অধিকাংশ মানুষই (তা) জানে না। (সূরা সাবা, আয়াত ২৮)

যারা (নানা কৌশলে) আমার আয়াতসমূহকে ব্যর্থ করে দিতে চেয়েছে, তারাই হড়ে– ওসব লোক যারা আযাবেই পড়ে থাকবে।  (সূরা সাবা, আয়াত ৩৮)

তুমি অবশ্যই রসূলদের একজন, (সূরা ইয়াসীন, আয়াত ৩)

নিশ্চয়ই তারা কাফের হয়ে গেছে যারা (একথা) বলেছে, আল্লাহই হড়ে–ন মারইয়ামের পুত্র মাসীহ; অথচ মাসীহ (নিজেই একথা) বলেছে যে, হে বনী ইসরাঈল, তোমরা এক আল্লাহর এবাদাত করো, যিনি আমারও রব, তোমাদেরও রব; অবশ্যই যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শরীক করবে, আল্লাহ তায়ালা তার ওপর জান্নাত হারাম করে দেবেন, আর তার (স্থায়ী) ঠিকানা হবে জাহান্নাম; এই যালেমদের (সেদিন) কোনো সাহায্যকারীই থাকবে না।  (সূরা আল মায়েদা, আয়াত ৭২)

তারা কি আল্লাহর কাছে তাওবা করবে না? এবং (কখনো কি) তারা তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে না? আল্লাহ তায়ালা বড়োই ক্ষমাশীল,দয়াময়।  (সূরা আল মায়েদা, আয়াত ৭৪)

তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো, আনুগত্য করো (তাঁর) রসূলের, (হারাম কাজের Ÿংসকারিতা থেকে) সতর্ক থেকো, আর তোমরা যদি মুখ ফিরিয়ে নাও তাহলে জেনে রাখো, আমার রসূলের দায়িত্ব হড়ে– সুস্পষ্টভাবে (আমার কথাস্পলো) পৌঁছে দেয়া। (সূরা আল মায়েদা, আয়াত ৯২)

রসূলের দায়িত্ব (হেদায়াতের বাণী) পৌঁছে দেয়া ছাড়া আর কিছুই নয়, আল্লাহ তায়ালা জানেন তোমরা  যা কিছু প্রকাশ করো এবং যা কিছু গোপন রাখো।  (সূরা আল মায়েদা, আয়াত ৯৯)

তুমি তাদের ধন-সম্পদ থেকে (যাকাত ও) সাদকা গ্রহণ করো, এটা তাদের পাক-সাফ করে দেবে, তুমিও তাদের তা দিয়ে পরিশোধিত করে দেবে, তুমি তাদের জন্যে দোয়া করবে; অবশ্যই তোমার দোয়া তাদের জন্যে (হবে পরম) সান্ত¡না; আল্লাহ তায়ালা সব কিছু শোনেন এবং সব কিছু জানেন। (সূরা আত তাওবা, আয়াত ১০৩)

যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে, এ (সূরা তাদের আগের) নাপাকীর সাথে আরো (কিছু নতুন) নাপাকী (যুক্ত করে) দিয়েছে এবং তারা (এ) কাফের অবস্থায় মারা যাবে। (সূরা আত তাওবা, আয়াত ১২৫)

অতএব এ লোকদের যখনি তুমি ধরতে পারো, তাহলে তাদের মূল বাহিনী থেকে বিড়ি–ন্ন করে (এমনভাবে) শাস্তি দেবে, যাতে তাদের পরবর্তী বাহিনী (এ থেকে কিছু) শিক্ষা গ্রহণ করে।  (সূরা আল আনফাল, আয়াত ৫৭)

হে নবী, তুমি মোমেনদের যুদ্ধের জন্যে উদ্ভুদ্ধ করো, (মনে রেখো) তোমাদের মধ্যে বিশ জন লোকও যদি ধৈর্যশীল হতে পারে তাহলে তারা দুশ্ লোকের ওপর বিজয়ী হবে, আবার তোমাদের মাঝে (এমন লোকের সংখ্যা) যদি একশ্ হয় তাহলে তারা কাফেরদের এক হাজার লোকের ওপর জয় লাভ করবে, কেননা তারা হড়ে– এমন জাতি যারা (আল্লাহর শক্তি সম্পর্কে) কিছুই বোঝে না। (সূরা আল আনফাল, আয়াত ৬৫)

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY