ওহীর বিভিন্ন ধরণ

0
170

ওহীর বিভিন্ন ধরণ

ওহী বরতে আমরা কোরআনের আয়াতকে বুঝি। প্রিয় নবী (স)এর উপর মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন দীর্ঘ 23 বছর যাবত কোরআনের আয়াত নাযিল হয়।

 

এক. সত্য স্বপ্ন এর মাধ্যমে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর ওহী নাযিলের সূচনা হয়।

দুই. দেখা না দিয়ে ফেরেশতা রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মনে কথা কথা ঢুকিয়ে করতেন।

যেমন নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, রুহুল কুদুস আমার মনে একথা বসিয়ে দিলেন যে, কোনো মানুষ তার জন্যে নির্ধারিত রেযেক পুরোপুরি পাওয়ার আগে মৃত্যু বরণ করে না। কাজেই আল্লাহকে ভয় করো এবং ভালো পন্থায় রেযেক তালাশ করো।

তিন. ফেরেশতা মানুষের আকুতি ধরে এসে রসূল (স.)-কে সম্বোধন করতেন। ফেরেশতা যা কিছু বলতেন, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা মুখস্থ করে নিতেন। এ সময় কখনো কখনো সাহাবায়ে কেরামও ফেরেশতাকে দেখতে পেতেন।

চার. রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে ঘন্টাŸনির মতো টন টন শব্দে ওহী আসতো, এটি ছিলো ওহীর সবচেয়ে কষ্টকর অবস্থা। এ অবস্থায় ফেরেশতা তাঁর সাথে দেখা করতেন এবং প্রচন্ড শীতের মওসুমেও তাঁর কপাল থেকে ঘাম ঝরে পড়তো।

পাঁচ. তিনি ফেরেশতাকে তার প্রকৃত চেহারায় দেখতেন। সে অবস্থায়ই ফেরেশতা আল্লাহর ইচ্ছায় তাঁর ওপর ওহী নাযিল করতেন। এরকম ঘটনা ২ বার ঘটেছিলো।

ছয়. মেরাজের রাতে আল্লাহ তায়ালা নামায ফরয হওয়া ও অন্যান্য বিষয়ের ওহী নাযিল করেন। এ সময় রসূল (স.) আকাশে ছিলেন।

সাত. ফেরেশতার মাধ্যম ছাড়া আল্লাহ তায়ালার সরাসরি রসূল (স.)-এর সাথে কথা বলতেন, এ প্রকারের ওহীর প্রমাণ মেরাজের হাদীসে রয়েছে।

আট. কেউ কেউ আর এক প্রকার ওহীর কথাও উল্লেখ করেছেন এবং তা হড়ে–, আল্লাহ তায়ালার সাথে পর্দাবিহীন মুখোমুখি অবস্থায় কথা বলা। (ওহীর এ ধরণ সম্পর্কে মতভেদ রয়েছে)

সূত্র:

  1. আর রাহীকুল মাখতুম
  2. তাফসীর ফি যিলালিল কোরআন

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY