প্রিয় নবী একজন আদর্শ স্বামী

0
319

প্রিয় নবী একজন আদর্শ স্বামী

স্ত্রী’’র অধিকার সম্পর্কে প্রিয় নবী বলেন-

প্রিয় নবী (স) বলেন, তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তিই উত্তম যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর কাছে উত্তম। (তিরমিযি, দারেমী ইবনে মাজা)

তিনি বলেন, তোমাদের মধ্যে সেই সব লোকই সব চাইতে ভালো যারা নিজেদের স্ত্রীদের জন্য ভালো। (তিরমিযি)

একজন সাহাবী অধিক এবাদাত বন্দেগীর কারণে স্ত্রীর প্রতি অমনোযোগী হয়ে পড়েছেন, একথা জানার পর প্রিয় নবী (স) বললেন, তোমাদের ওপর তোমাদের স্ত্রীদের অধিকার রয়েছে।

নারীদের অধিকারের ব্যাপারে প্রিয় নবী (স”) খুবই মনোযোগী ছিলেন। বিদায় হজ্জ্বের ভাষণে তিনি বলেন, ষ্ক্রহে লোক সকল, নারীদের সম্পর্কে আমার উপদেশ তোমরা মেনে চলবে। তারা রয়েছে তোমাদের। তারা যদি প্রকাশ্য অশ্লীলতার প্রকাশ ঘটায় তবে তাদের সংগে বিছানা আলাদা করো এবং হালকাভাবে প্রহার করো। এতে যদি তারা অনুগত হয়ে যায় তবে তাদের নামে অপবাদ দেয়ার জন্য কোনো অজুহাত তালাশ করো না। নিশ্চয়ই তোমাদের ওপর নারীদের এবং নারীদের ওপর তোমাদের অধিকার রয়েছে। নারীদের ওপর তোমাদের অধিকার হড়ে– তারা তোমাদের বিছানায় অন্য পুষ্পষকে আল্ডান জানাবে না। এছাড়া যাদের আসা তোমরা পছন্দ করো না তাদের তোমাদের ঘরে আসতে দেবে না। তোমাদের ওপর তাদের অধিকার হড়ে– তোমরা তাদের পানাহার এবং পোশাকের ব্যবস্থা করবে। (ইবনে মাজা)

স্ত্রীদের অধিকার সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে রসূলে আকরাম (স) বলেন, স্বামীর ওপর স্ত্রীর অধিকার হড়ে– স্বামী যখন খাবে স্ত্রীকেও তখন খাওয়াবে। নিজে পরিধান করলে তাকেও পরিধান করাবে। তার মুখে আঘাত করবে না। শাস্তি দেয়ার জন্য তাকে ঘরের বাইরে বের করবে না। (ইবনে মাজা)

একজন স্বামী হিসাবে প্রিয় নবী (স) কেমন ছিলেন? এ প্রশ্নের জবাব দেয়ার আগে একজন ভালো স্বামী হওয়ার জন্য সাধারণত যেসব স্পনাবলী দরকার সে সম্পর্কে আলোকপাত করা দরকার।

প্রথমত স্ত্রীকে ভালোবাসতে হবে।

দ্ভিতীয়ত স্ত্রীর প্রয়োজন এবং আকাঙ্খা সাধ্যমতো পূরণ করতে হবে।

তৃতীয়ত নিজের ইচ্ছা ও মর্জির বিপরীত হলেও স্ত্রীর বৈধ চাহিদাসমূহ পূরণ করতে হবে।

চতুর্থত একাধিক স্ত্রী থাকলে ভালোবাসা, অর্থ সম্পদ, সময় ও মনযোগ সকলের প্রতি সমানভাবে ন্টন করতে হবে।

(হাকীম মোহাম্মদ সাঈদ, তিনি চাঁদের চেয়ে সুন্দর)

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY