প্রিয়নবী (স) দেখতে কেমন ছিলেন?

0
284

muhammad
সূত্র: তিনি চাঁদের চেয়ে সুন্দর, খাদিজা আখতার রেজায়ী

আকৃতি: প্রিয়নবী (স) ছিলেন মধ্যম আকৃতির একজন মানুষ।

গায়ের রং:  তাঁর গায়ের রং ছিলো লাল সাদা মিশ্রিত কাঁচা হলুদের মতো অত্যন্ত উজ্জ্বল। । গায়ের চামড়া ছিল খুব নরম।

ললাট: কপাল ছিল চওড়া এবং হালকা ধরনের। বেশী গোশতে তা ভরা ছিল না।

হাত: তাঁর হাতের তালু ছিল তুলতুলে নরম।

কাঁধ: কাঁধ ছিল প্রশস্ত।

দাঁত: দাঁত উজ্জ্বল তবে প্রশস্ত। কথা বলার সময়ে তার থেকে চাঁদের উজ্জ্বলতা প্রকাশ পেতো।

চুল: মাথার চুল বেশী কোঁকড়ানো ছিল না। আবার বেশী খাড়াও ছিল না।  মাথার চুল প্রায়ই কাঁধ ছুঁয়ে যেত। মক্কা বিজয়ের দিন লোকেরা দেখেছে, কাঁধের কাছে চারটি বেনীর মতো চুল ঝুলে আছে। আরবের পৌত্তলিকরা মাথার চুলে সিঁথি করতো। প্রিয়নবী (স)তুলনামূলকভাবে পৌত্তলিকদের চেয়ে আহলে কেতাবদের রেওয়াজ বেশী পছন্দ করতেন, একারণে প্রথমদিকে তিনি চুল ছেড়ে রাখতেন। পরে তিনি চুলে সিঁথি করেন। তিনি চুল, দাড়ি  আঁচড়াতেন।

দাড়ি: দাড়ি ছিল ঘন। মৃত্যুর সময় হাতে গোনা কয়েকটি দাঁড়িই মাত্র সাদা হয়েছিল।

চোখ:  চোখ কালো, সুর্মা রঙের বড় বড়। চোখের মনি ছিলো কালো, দৃষ্টি ছিল নীচু। দেখে মনে হতো তিনি ভারী লজ্জাশীল। চোখে ছিল নূরাণী চমক।
গায়ে লোম: বুক থেকে নাভি পর্যন্ত লোমের হালকা রেখা ছিল। বাহুতে এবং হাতে হালকা লোম ছিলো।

পা: পায়ের গোড়ালী ছিল মসৃণ ও হালকা। পায়ের তালুব মাঝখানে কিছুটা জায়গা ছিল খালি। তালুর নীচে দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে যেতো। উরু ছিলো লম্বাটে।
মোহরে নবুওয়ত : কাঁধের মাঝখানে কবুতরের ডিমের মতো মোহরে নবুওয়ত ছিল। এটি ছিল দেখতে লালচে ধরনের উঁচু এক টুকরো গোসতের মতো। অপর এক বর্ণনায় জানা যায় যে, বাম বাহুর কাছে জমে থাকা এক টুকরো উঁচু গোশতকেই মোহরে নবুয়ত বলা হয়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY