প্রিয়নবীর ছেলেবেলা

0
206

প্রিয়নবীর ছেলেবেলা
শিশুকাল: বনু সাদ গোত্রে

দাঈমি হালিমা বলেন- তখন আমাদের এলাকার চেয়ে বেশি অভাবগ্রস্ত দুর্ভিক্ষ কবলিত অন্য কোন এলাকা ছিলো কিনা আমি জানতাম না। আমাদের ফিরে আসার পর বকরীস্পলো চারণভূমিতে গেলে ভরা পেট ও ভরা স্তনে ফিরে আসতো। আমরা দুধ দোহন করে পান করতাম। অথচ সে সময় অন্য কেউ এক ফোঁটা দুধও পেতো না।

পূনরায় বনু সাদ গোত্রে: এমনকি শিশুর বয়স দুই বছর হওয়ার পর আমরা তাকে দুধ ছাড়ালাম। এরপর আমরা শিশুটিকে তার মায়ের কাছে নিয়ে গেলাম আমাদের পুন পুন অনুরোধে বিবি আমেনা শিশুকে পুনরায় আমার কাছেই ফিরিয়ে দেন।

বুক ফাড়ার ঘটনা

তাঁর বয়স যখন চার অথবা পাঁচ বছর তখন ষ্ক্রবুক ফার্ড়া ঘটনা ঘটে।
জিবরাঈল (আ.) তাঁকে শুইয়ে বুক চিরে দিল বের করে তা থেকে রক্তপিস্ক বের করে এরপর দিল একটি তশতরিতে রেখে যমযম কূপের পানি দিয়ে ধুয়ে তারপর যথাস্থানে স্থাপন করেন।

মায়ের স্নেহকোলে
বুক ফাড়ার ঘটনারপর মা  হালিমা ভীত হয়ে তাঁকে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে এলেন। ছয় বছর বয়স পর্যন্ত তিনি মায়ের স্নেহ ছায়ায় কাটান।

দাদার স্নেহ ছায়ায়
আবওয়ায় মা আমেনার ইন্তেকালের পর বৃদ্ধ আবদুল মোত্তালেব পৌত্রকে সঙ্গে নিয়ে মক্কায় পৌঁছলেন। পিতৃমাতৃহীন পৌত্রের জন্যে তাঁর মনে ছিলো ভালোবাসার উত্তাপ। আট বছর দুই মাস দশ দিন বয়স হওয়ার পর দাদার স্নেহের ছায়াও উঠে যায়। তিনি ইন্তেকাল করেন।

চাচার সেন্হ বাৎসল্যে
আবু তালেব ভ্রাতুপুত্রকে গভীর স্নেহ-মমতার সাথে প্রতিপালন করেন। তিনি তাঁকে নিজ সন্তানদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন; বরং সন্তানদের চেয়ে ভাতিজাকেই তিনি বেশি স্নেহ করতেন। চল্লিশ বছরের বেশি সময় পর্যন্ত তিনি প্রিয় ভ্রাতুপুত্রকে সহায়তা দেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY