খাবারের বেলায় প্রিয় নবীর নীতি

0
1061
Ramadan is comming: water and dates

খাবারের বেলায় প্রিয় নবী (স) এর নীতি

০১. সুস্বাদু দামী আহার্য তিনি সব সময় এড়িযে যেতেন। সব সময় সাদাসিদে খাবার পছন্দ করতেন।
০২.  পাতলা রুটি না খাওয়ার কারণ ছিল এটাই যে, এ ধরনের রুটি বিলাসিতার প্রমাণ বহন করে।
০৩. প্রিয় নবী (স”) খাদ্য দন্দব্যের ব্যাপারে কখনো সমালোচনা করতেন না। পছন্দ হলে খেতেন আর পছন্দ না হলে খেতেন না।
০৪. প্রিয় নবী (স”) পন্দায়ই মাটিতে দস্তরখানা বিছিয়ে আহার করতেন। পায়ের ওপর পা রেখে বা হাঁটু হেলান দিয়ে বসে আহার করতেন না।
০৫. আহার তিনি তাড়াতাড়ি আহার সেরে নিতেন। তিনি বলতেন আমি এমনভাবে খাই যেমন মনিবের সামনে ক্রীতদাস কম সময়ের মধ্যে তার আহার শেষ করে।
০৬. তিনি তিন আংগুলে আহার করতেন।
০৭. বিসমিল্লাহ বলে আহার শুরু করতেন এবং আল্লাহর প্রশংসা করে আহার শেষ করতেন।
০৮.  হালাল খাদ্য তাঁর সামনে যা কিছু রাখা হতো তিনি তাই আহার করতেন। কখনো সে খাবার প্রত্যাখান করতেন না। যেসব খাবার সামনে নেই সেসব খাবার উপস্থিত করার জন্য পীড়াপীড়ি করতেন না।
০৯. সাধারণত পেটে কিছু ক্ষুধা রেখে তিনি খাবার খেতেন। তিনি বলতেন, মোমেনের বৈশিষ্ট – যে, সে কম খাবে।

কয়েকটি নির্দেশনা
০১.    ঘুরতো। প্রিয় নবী (স”) এক দিন বললেন, বিসমিল্লাহ পড়ো, ডানহাতে খাও এবং সামনে থেকে খাও। প্লোটের সর্বত্র হাত ঘুরিয়োনা না।
০২. প্রিয় নবী (স”) পরামর্শ দিলেন যে, একসাথে বসে আহার করো।
একই দস্তরখানে একত্রে আহার করা আসলেই ভালোবাসা বাড়ানোর উত্তম উপায়। শত্ত্রুরাও যদি একত্রে বসে আহার করে তবে শত্রুতার মনোভাব চাপা পড়ে যায়।
০৩.    যে, প্রিয় নবী (স”) বলেন, যার হাতে চর্বি থাকবে এবং চর্বি না ধুয়েই ঘুমিয়ে পড়বে তার যদি এর ফলে কোন ক্ষতি হয় তবে সে জন্য সে নিজেকেই নিজে দোষী করবে। অর্থাচ্ঞ আহারের পর ভালোভাবে হাত ধোয়া প্রয়োজন। বিশেষত হাতে যদি চর্বি থাকে তবে অবশ্যই হাত ধুয়ে নিতে হবে।

সূত্র:
প্রবন্ধ: প্রিয় নবীর প্রিয় খাবার: সাইয়েদ আসেম মাহমুদ
গ্রন্থ: তিনি চাঁদের চেয়ে সুন্দর, খাদিজা আখতার রেজায়ী

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY