৪শ বছর আগের এক ইঞ্জি পরিমাপের ক্ষুদ্র কোরআন

0
175

৪শ বছর আগের এক ইঞ্জি পরিমাপের ক্ষুদ্র কোরআন শরীফ
নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার চিকদাইর গ্রামের মোহাম্মদ কামাল উদ্দীনের পুত্র মোহাম্মদ নাজমুল হাসানের কাছে এক ইঞ্চি পরিমাপের এক জেল কোরআন শরীফ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি বিশে^র ক্ষুদ্রতম কোরআন শরীফ।

ক্ষুদ্রতম কোরআন শরীফটি তার নানা মৃত্যুর পূর্বে মাদরাসা পড়– নায় নাতিকে দিয়ে যান। তিনি এ পর্যন্ত চারবার এই ক্ষুদ্র কোরআন শরীফটি পড়তে পেরেছেন। হাসান জানায়, এতো ক্ষুদ্র অক্ষর মাইক্রো ল্যান্স দিয়ে পড়তে হয়েছে। এটির পরিমাপ এক ইঞ্চি, এটিকে গলায় ঝুলিয়ে রাখার জন্যে রয়েছে এ্যালুমিনিয়ামের মতো বিষেধ ধাতু দিয়ে তৈরী কারুকাজ করা কভার এবং দেখতে অত্যন্ত সুন্দর। রাউজান গহিরা আলিয়া মাদরাসায় ফাযিল ১ম বর্ষে অধ্যয়নরত ছাত্র মোহাম্মদ নাজমুল হাসান জানান, তার নানা মরহুম হযরত মাওলানা শাহ সুফী ফয়েজ আহমদ (র.) ২৯ জুন ২০০৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তিনি হাটহাজারী দারুল উলুম মাদরাসায় পড়ালেখা করেছিলেন। তার নানা বলেছিলেনÑ আমার বয়স যখন ৩৫ বছর ছিলো তখন আমি মার্বার রেঙ্গুনে ব্যবসা করতাম। আমার পিতা মরহুম মাওলানা নূষ্পজ্জামান আল কাদেরী (র.) আমার কাছে তার অসুস্থতার খবর পাঠিয়েছিলেন। এ খবর শুনে আমি বাড়ীতে আসার পর আমাকে তিনি এ কোরআন শরীফটি দেন। এর কয়েক মাস পর ২০ আগস্ট ১৯৪৪ সালে পিতা মৃত্যুবরণ করেন অছিয়তে  নানা বলেছিলেন, প্রতিদিন ফজরের নামায আদায় শেষে কমপক্ষে এক পারা করে কোরআন শরীফ পড়ার জন্য এবং ঈমানের সাথে অতিযতœসহকারে এটিকে রক্ষা করার।

হাসান আরো জানান, এ কোরআন শরীফটি তার নানার পাঁচ পূর্ব পুরুষ এটিকে সংকরক্ষণ করে রেখেছিলেন। আজ থেকে প্রায় ৪০০ বছরের পূর্বৈর এই ক্ষুদ্র কোরআন শরীফটি দেখতে এখনো সম্পূর্ণ নতুনের মতো দেখায়। গহিরা আলিয়া মাদরাসার প্রিন্সিপাল ফজলুল হক ইসলামাবাদী বলেন, সেই যুগের মুসলমানরা ছিলেন সত্যবাদী, তাদের চোখের দৃষ্টিশক্তি ছিলো প্রকট।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY