শরীর রক্তাক্ত করে শোক করা হারাম: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

0
200

শরীর রক্তাক্ত করে শোক পালন হারাম: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9a-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be

 ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হযরত আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীর ফতোয়া অনুযায়ী মহররম ও আশুরার শোক পালনের ক্ষেত্রে শরীর রক্তাক্ত করা হারাম।

 এমনকি গোপনে এ কাজ করতেও নিষেধ করেছেন তিনি। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন, এ ধরনের কাজ শোক-প্রকাশ নয় বরং শোক-প্রকাশের ধ্বংস সাধন। এ ছাড়া তিনি পোশাক খুলে বা খালি-গা হয়ে শোক প্রকাশ করারও বিরোধিতা করেছেন।
বিশ্বের কোনো কোনো অঞ্চলে আশুরা ও মহররমের শোক প্রকাশের নামে অনেকেই নানা পন্থায় শরীরকে রক্তাক্ত করেন। আর এ বিষয়টি মহররমের পবিত্রতা ও শোক-প্রকাশকারীদের সম্পর্কে নানা নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করছে অনেকের মধ্যেই।

যেহেতু বাংলাদেশসহ উপমহাদেশের কয়েকটি দেশে এ ধরনের প্রবণতা রয়েছে। তারা নিজের শরীরে চুরিকাহত ও রক্তার্ত করে কারবালার শহীদ ইমাম হোসেনের প্রতি শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শিয়াদের একজন ধর্মীয় নেতাও বটে। এই সময়ে তার এই ঘোষণা ইতিবাচক হিসেবে দেখছে পর্যবেক্ষক মহল।
এ ধরনের তৎপরতার ফলে ইসলামের শত্রুরা এই মহান ধর্ম সম্পর্কে নানা ধরনের অপপ্রচার চালানোর সুযোগ নিচ্ছে বলে ইরানের শীর্ষস্থানীয় অন্য অনেক আলেমও মনে করেন এবং তাই তারা শোক-প্রকাশের ক্ষেত্রে এসব বাড়াবাড়ি পরিহার করতে মুসলমানদের সতর্ক করে আসছেন।
ইসলামের বিধান অনুযায়ী ইবাদতের জন্য পোশাক, শরীর ও স্থান পবিত্র হওয়া জরুরি।
কিন্তু রক্ত অপবিত্র হওয়ায় এর স্পর্শে স্থান, দেহ ও পোশাক অপবিত্র হয়ে যায়। তাই ইবাদতের স্বার্থে মসজিদ ও ইমামবাড়ার মত পবিত্র স্থানকে ইচ্ছাকৃতভাবে মানুষের রক্ত দিয়ে অপবিত্র করা নিষিদ্ধ বলে ইরানের আলেম সমাজ ফতোয়া দিয়ে এসেছেন।
যারা কারবালার শোকাবহ ঘ্টনার জন্য শোক প্রকাশ করতে চান তারা অপাত্রে রক্ত অপচয় না করে রোগিদের জন্য হাসপাতালে রক্ত দান করলে অনেক সাওয়াবের অধিকারী হবেন বলেও ইরানি আলেম সমাজ মনে করেন।

বার্তা সংস্থা ইকনা

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY