সৌদিতে আন্তজাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থানে বাংলাদেশ

0
204

সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ৩৭তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় শীর্ষ স্থানে উত্তীর্ণদের নাম ১১ই নভেম্বর ঘোষণা করা হয়েছে। দ্বিতীয় বিভাগে তৃতীয় স্থান দখল করেছে বাংলাদেশী প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিন।

বার্তা সংস্থা ইকনা: ৩৭তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে মক্কার আমির ‘খালিদ ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ ‘, সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি ‘শেখ সালেহ বিন আব্দুল আজিজ অলে আল শেইখ’, মসজিদুল হারাম ও মসজিদুল নাবাবীর (সা.) মসজিদ কমিটির প্রধান ‘শেখ আবদুল রহমান বিন আব্দুল আজিজ আল সাদিস’, সৌদি আরবের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতা উদযাপন কমিটির প্রধান ‘মানসুর বিন মুহাম্মাদ আমল সামিহ’ এবং বিচারক কমিটির সদস্য এবং প্রতিযোগীগণ উপস্থিত ছিল।
৩৭তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতার সর্বমোট ৪টি বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাজবিদ এবং শুদ্ধ উচ্চারণ সহকারে সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ ও পবিত্র কুরআনের শাব্দিক অর্থ,  তাজবিদ এবং শুদ্ধ উচ্চারণ সহকারে সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ,  তাজবিদ এবং শুদ্ধ উচ্চারণ সহকারে ১৫ পারা কুরআন হেফজ এবং  তাজবিদ এবং শুদ্ধ উচ্চারণ সহকারে ৫ পারা কুরআন হেফজ বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়েছে। যারমধ্যে শুধুমাত্র চতুর্থ বিভাগ অ-ইসলামী দেশে জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
৩৭তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতার প্রথম বিভাগে আলজেরিয়া থেকে ‘আবদুল্লাহ মুস্তাফা আরাবী’, নাইজেরিয়া থেকে ‘ইউসুফ মুহাম্মাদ ডুকু’, সোমালিয়া থেকে ‘নাসের মোহাম্মদ ইউসুফ’, সৌদি আরব থেকে ‘হামযা ইবনে তারেক সালেহ হাদাভী’ এবং মিশর থেকে ‘আবু আল ইয়াজিদ মুস্তাফা আবু আল ইয়াজিদ’ পর্যায়ক্রমে প্রথম থেকে পঞ্চম স্থানের অধিকারী হয়েছেন। প্রথম বিভাগে শীর্ষ স্থানে উত্তীর্ণদের পর্যায়ক্রমে ১ লাখ ২০ হাজার, ১ লাখ, ৮০ হাজার, ৭০ হাজার এবং ৬০ হাজার সৌদি রিয়াল অনুদান করা হয়েছে।
দ্বিতীয় বিভাগে সৌদি আরব থেকে ‘আবদুল্লাহ বিন সাইদ আবদুল্লাহ আল ইয়াহিয়া’ নাইজেরিয়া থেকে ‘হামাদ আমর ইনু আদাম’, বাংলাদেশ থেকে ‘হাফেজ মুহাম্মাদ হেলাল উদ্দিন’, চাদ থেকে মুহাম্মাদ সালেহ ঈসা’ এবং ‘আব্দুর রহমান  আহমদ আব্দুল্লাহ আলী আল-শুয়ী’ যথাক্রমে প্রথম থেকে পঞ্চম স্থানের অধিকারী হয়েছেন। উত্তীর্ণদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমে ১ লাখ, ৯০ হাজার, ৭৫ হাজার, ৬০ হাজার এবং ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল অনুদান করা হয়েছে।

%e0%a7%a9%e0%a7%ad%e0%a6%a4%e0%a6%ae-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%86%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%98%e0%a7%8b%e0%a6%b7%e0%a6%a3%e0%a6%be%3b--%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a7%9f-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a6%96%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%80-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%a7%e0%a6%bf

হেলাল উদ্দিন যাত্রাবাড়ীর উত্তর দনিয়ার মারকাজুল তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার ছাত্র। হেলাল উদ্দিন মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার গোবরদি বয়রাগাদী (নুরপুর) গ্রামের মাওলানা হাফেজ মো. মঈনুদ্দীন ও মারুফা হোসাইনের ছেলে। তিনি এ প্রতিযোগী উত্তীর্ণ হয়ে ইসলামি বিশ্বে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে।
তৃতীয় বিভাগে সৌদি আরব থেকে ‘আলী ইবনে আহমাদ আফতাত আলেম’, ইরাক থেকে ‘মুহাম্মাদ ফাজেল আব্বাস আল জামিলী’, চাদ থেকে ‘হাজরু মুসা হাজরু’, ক্যামেরুন থেকে ‘হামিদ আল বাসায়ের’ এবং কুয়েত থেকে ‘ওমর আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ আল দামাখী’ যথাক্রমে প্রথম থেকে পঞ্চম স্থানের অধিকারী হয়েছেন। উত্তীর্ণদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমে ৫৫ হাজার, ৪৫ হাজার, ৩০ হাজার, ২৫ হাজার, ২০ হাজার সৌদি রিয়াল অনুদান করা হয়েছে।
৩৭তম আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতার শেষ বিভাগ তথা চতুর্থ বিভাগ যা শুধুমাত্র অ-ইসলামী দেশের জন্য উদযাপন হয়েছে। এ বিভাগে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা থেকে ‘আদনান মুয়াতী’, ফিলিপিন থেকে ‘সালেহ বিলাবাগান আব্দল গনি’, বেলজিয়াম থেকে ‘রেজওয়ান আহমেদ আহরুন’, শ্রীলংকা থেকে ‘মুহাম্মাদ নাযালিন মুহাম্মাদ নেওয়ায’ দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ‘মুহাম্মাদ হাসান ইসমাইল’ যথাক্রমে প্রথম থেকে পঞ্চম স্থানের অধিকারী হয়েছেন। উত্তীর্ণদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমে ৩৫ হাজার, ২৫ হাজার, ২০ হাজার, ১৫ হাজার এবং ১০ হাজার সৌদি রিয়াল অনুদান করা হয়েছে।
গত ৭ম নভেম্বর এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্বের ৬৬টি দেশের ১২৪ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণে উক্ত প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয় এবং ৯ম নভেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY