দাওয়াতের প্রথম পর্যায়

0
131

ইসলাম প্রচারের প্রথম পর্ব
তাবলীগের নির্দেশ

এক. ভয় প্রদর্শন করতে যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে,

দুই. রব-এর শ্রেষ্ঠত্ব বড়োত্ব কার্যকর করার শেষ মনযিল,

তিন. পোশাকের পবিত্রতা পরিষ্ণন্নতার শেষ মনযিল,

চার. কারো প্রতি দয়া অনুগ্রহ করার পর অধিক বিনিময় প্রত্যাশা না করার শেষ মনযিল,

পাঁচ. শেষ আয়াতে ইঙ্গিত রয়েছে, আল্লাহর পক্ষ থেকে দাওয়াতের কাজ শুজ্ঝ করার পর শত্রুদের তরফ থেকে বিরোধিতা, হাসিঠাট্টা, উপহাস বিদ্রƒপ থেকে আপনি এবং আপনার সঙ্গীদের হত্যা করার এবং আপনার আশেপাশে সমবেত হওয়া ঈমানদারদের নিশ্চিন্ত করার সর্বাত্মক চেষ্টা প্রচেষ্টা হবে। বীরত্ব এবং দৃঢ়তার সাথে আপনাকে এসব কিছুতে ধৈর্যধারণ করতে হবে।
দাওয়াতের বিষয়:
ক, তাওহীদ।
খ, পরকালের প্রতি বিশ^াস।
গ. তাযকিয়ায়ে নফৎসের ওপর গুজ্ঝত্বারোপ।
ঘ. নিজের সকল কাজ আল্লাহর ওপর ন্যস্ত করা।
ঙ. এসব কিছু প্রিয় নবীর নবুয়ত রেসালাতের ওপর বিশ^াস স্থাপন,

(তিন বছর যাবত তাবলীগের কাজ ব্যক্তিগত পর্যায়ে গোপনভাবে চলতে থাকে।)

ইসলামের অগ্রপথিক: সাবেকীনে আউয়ালীনের

১. রসূলের সহধর্মিনী উক্ষুল মোমেনীন খাদিজা বিনতে খোয়াইলেদ,
২.  খদিজার মুক্ত করা দাস যায়দ ইবনে সাবেত ইবনে শোরাহবিল কালবী,
৩.  তাঁর চাচাতো ভাই হযরত আলী ইবনে আবু তালেব,
৪. হিজরতকালে তাঁর গুহার সাথী ঘনিষ্ঠ সুহৃদ হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)।
৫. হযরত ওসমান (রা.),
৬. হযরত যোবায়র (রা.),
৭. হযরত আবদুর রহমান ইবনে আওফ (রা.),
৮.  হযরত স্দা ইবনে আবু ওয়াক্কাস (রা.),
৯. হযরত তালহা ইবনে ওবায়দুল্লাহ (রা.)
১০. হযরত বেলাল হাবশী (রা.)
১১. হযরত আবু ওবায়দা আমের ইবনে জাররাহ,
১৩. আবু সালামা ইবনে আবদুল আছাদ,
১৪. আরকাম ইবনে আবুল আরকাম,
১৫. ওসমান ইবনে মাযউন
১৬.  কোদামা ইবনে মাযউন
১৭.  আবদুল্লাহ ইবনে মাযউন
১৮.  ওবায়দা ইবনে হারেস,
১৯. মোত্তালেব ইবনে আবদে মানাফ,
২০. সাঈদ ইবনে যায়দ
২১. ওমরের বোন ফাতেমা বিনতে খাত্তাব,
২২. খাল্টাব ইবনে আরাত,
২৩. আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.)
২৪. মোকাতেল ইবনে সোলায়মান
২৫. হারেস ইবনে ওসামা (রা.)
২৬. হযরত যায়েদ ইবনে হারেসা (রা.)
২৭. বার্ াইবনে আযেব
২৮. ইবনে আল্টাস (রা.)

নোট: এবং অন্য কয়েকজন ইসলাম গ্রহণ করেন। তারা সামগ্রিকভাবে কোরায়শ বংশের বিভিন্ন শাখার সাথে ছিলেন। ইবনে হেশাম তাদের সংখ্যা চল্লিশের বেশি বলেছেন। (দেখুন, ইবনে হেশাম, ১ম খন্ড, পৃ. ২৪৫-২৬২)।

মোহাক্ষদ গাযালী লেখেন, কোরায়শরা গোপনে ইসলাম প্রচারের খবর পেয়েছিলো, কিন্তু তারা এর প্রতি কোন গুরুত্ব দেয়নি। সম্ভবত তারা মোহাক্ষদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেও এমন কোন ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মনে করেছিলো, যিনি ইলাহ এবং ইলাহের অধিকার সম্পর্কে কথাবার্তা বলেন। আরব সমাজে আগেও এ ধরনের লোক ছিলো। যেমন, উমাইয়া ইবনে আবুস সালত, কুস ইবনে স্ােয়দাহ, আমর ইবনে নোফায়ল প্রমুখ। তবে কোরায়শরা তাঁর প্রচারিত ইসলামের প্রসার এবং প্রভাব বৃদ্ধিতে কিছুটা শংকা অবশ্যই অনুভব করেছিলো। তাই সময় অতিক্রান্ত হওয়ার সাথে সাথে তাদের দৃষ্টি রসূল (স.) এবং তাঁর তাবলীগের ওপর নিবদ্ধ থেকে ছিলো।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY