প্রিয়নবী সম্পর্কে কোরআনের কয়েকটি আয়াত

0
162

প্রিয়নবী সম্পর্কে কোরআনের কয়েকটি আয়াত

সূরা আলে ইমরান :
(হে নবী, স্মরণ করো,) যখন তুমি ভোরবেলায় তোমার আপনজনের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে মোমেনদের যুদ্ধের ঘাটিসমূহে মোতায়েন করছিলে (তখন তুমি নিশ্চিত জানতে যে,) আল্লাহ তায়ালা সব কিছু শোনেন এবং তিনি (বান্দাদের) ভালো করেই জানেন। (সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১২১)

এটা আল্লাহর দয়া যে, তুমি এদের জন্যে ছিলে কোমল প্রক™£তির (মানুষ,) যদি তুমি নিষ্ঠুর ও পাষাণ হৃদয়ের  হতে, তাহলে এসব লোক তোমার আশপাশ থেকে সরে যেতো, তুমি এদের (অপরাধসমূহ) মাফ করে দাও, এদের জন্যে (আল্লাহর কাছে) ক্ষমা প্রার্থনা করো এবং কাজকর্মের ব্যাপারে এদের সাথে পরামর্শ করো, যখন তুমি (কোনো কাজের) সংকল্প করবে, তখন (তার সফলতার জন্যে) আল্লাহর ওপর ভরসা করো; অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা (তাঁর ওপর) নির্ভরশীল মানুষদের ভালোবাসেন। (সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৫৯)

সূরা নেসা:
(হে নবী,) তোমার মালিকের শপথ, এরা কিছুতেই ঈমানদার হতে পারবে না, যতোক্ষণ না তারা তাদের যাবতীয় মতবিরোধের ফয়সালায় তোমাকে (শর্তহীন) বিচারক মেনে নেবে, অতপর তুমি যা ফয়সালা করবে সে ব্যাপারে তাদের মনে কোনো দ্বিধাদ্বন্দ¡ থাকবে না এবং তোমার সিদ্ধান্ত তারা সর্বান্তকরণে মেনে নেবে। (সূরা নেসা, আয়াত ৬৫)

অতপর (হে নবী), তুমি আল্লাহর পথে লড়াই করো, তোমাকে শুধু তোমার কাজকর্মের জন্যেই দায়ী করা হবে, তুমি মোমেনদের (আল্লাহ তায়ালার পথে লড়াই করতে) উদ্বুদ্ধ করতে থাকো, সম্ভবত আল্লাহ তায়ালা অচিরেই কাফেরদের শক্তি চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবেন; আল্লাহ তায়ালা শক্তিতে প্রবল, শাস্তিদানে তিনি কঠোরতর। (সূরা নেসা, আয়াত ৮৪)

(হে নবী,) তুমি যখন মুসলমানদের মাঝে অবস্থান করবে এবং (যুদ্ধাবস্থায়) যখন তুমি তাদের (ইমামতির) জন্যে (নামাযে) দাঁড়াবে, তখন যেন তাদের একদল লোক তোমার সাথে (নামাযে) দাঁড়ায় এবং তারা যেন তাদের অস্ত্র সাথে (নিয়ে সতর্ক) রাখে; অতপর তারা যখন (নামাযের) সাজদা সম্পন্ন করে নেবে তখন তারা তোমাদের পেছনে থাকবে, দ্বিতীয় দল যারা (তখনো) নামায পড়েনি তারা তোমার সাথে এসে নামায আদায় করবে, (কিন্তু সর্বাবস্থায়ই) তারা যেন সতর্কতা অবলম্বন করে এবং সশস্ত্র (অবস্থায়) থাকে, (কারণ,) কাফেররা তো এ (সুযোগটুকুই) চায়, যদি তোমরা তোমাদের মালসামানা ও অস্ত্রশস্ত্র সম্পর্কে একটু অসাবধান হয়ে যাও, যাতে করে তারা তোমাদের ওপর (আকস্মিকভাবে) ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে; অবশ্য (অতিরিক্ত) বৃষ্টি বাদলের জন্যে যদি তোমাদের কষ্ট হয় কিংবা শারীরিকভাবে তোমরা যদি অসুস্থ হও,
তাহলে (কিছুক্ষণের জন্যে) তোমরা অস্ত্র রেখে দিতে পারো; (অস্ত্র রেখে দিলেও) তোমরা কিন্তু নিজেদের সাবধানতা বজায় রাখবে; অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা কাফেরদের জন্যে এক অপমানকর আযাব নির্দিষ্ট করে রেখেছেন। (সূরা নেসা, আয়াত ১০২)

অতপর তোমরা যখন নামায শেষ করে নেবে, তখন দাঁড়িয়ে, বসে এবং তোমাদের শোয়া অবস্থায় আল্লাহ তায়ালাকে স্মরণ করতে থাকবে, এরপর যখন তোমরা পুরোপুরি স্বস্তি বোধ করবে তখন (যথারীতি) নামায আদায় করবে, অবশ্যই নামায ঈমানদরাদের ওপর সুনির্দিষ্ট সময়ের সাথেই ফরয করা হয়েছে। (সূরা নেসা, আয়াত ১০৩)

অবশ্যই আমি সত্য (দ্বীনের) সাথে তোমার ওপর এ গ্রন্থ নাযিল করেছি, যাতে করে আল্লাহ তায়ালা তোমাকে (ওহী দ্বারা) যা দেখিয়েছেন তার আলোকে তুমি মানুষদের বিচার মীমাংসা করতে পারো; (মীমাংসার সময়) তুমি কখনো বিশ্বাসঘাতকদের পক্ষে তর্ক করো না। (সূরা নেসা, আয়াত ১০৫)

সূরা আ্রাফ :
(হে মোহাম্মদ,) তুমি বলো, হে মানুষ, অবশ্যই আমি তোমাদের সবার কাছে আল্লাহ তায়ালার রসূল (হিসেবে এসেছি), আকাশমালা ও পৃথিবীর যাবতীয় সার্বভৌমত্বের একড়–ত্র মালিকানা তাঁর, তিনি ছাড়া আর কোনো মাবুদ নেই, তিনিই জীবন দান করেন, তিনিই মৃত্যু ঘটান, অতপর তোমরা আল্লাহ তায়ালার ওপর ঈমান আনো, তাঁর বার্তাবাহক নিরক্ষর রসূলের ওপর তোমরা ঈমান আনো, যে (রসূল নিজেও) আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর বাণীতে বিশ^াস করে এবং তোমরা তাকে অনুসরণ করো, আশা করা যায় তোমরা সঠিক পথের সন্ধান পেয়ে যাবে। (সূরা আ্রাফ, আয়াত ১৫৮)

অতএব এ লোকদের যখনি তুমি ধরতে পারো, তাহলে তাদের মূল বাহিনী থেকে বিচ্ছিন্ন করে (এমনভাবে) শাস্তি দেবে, যাতে তাদের পরবর্তী বাহিনী (এ থেকে কিছু) শিক্ষা গ্রহণ করে।

সূরা আনফাল:
৫৮. যদি কখনো কোনো জাতির কাছ থেকে তোমার বিশ^াসঘাতকতার আশংকা হয়, তাহলে (তাদের সাথে সম্পাদিত) চুক্তি তুমি একইভাবে তাদের (মুখের) ওপর ছুঁড়ে দাও; নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা খেয়ানতকারীদের পছন্দ করেন না। (সূরা আনফাল, আয়াত ৫৭)
হে নবী, তুমি মোমেনদের যুদ্ধের জন্যে উদ্বুদ্ধ করো, (মনে রেখো) তোমাদের মধ্যে বিশ জন লোকও যদি ধৈর্যশীল হতে পারে তাহলে তারা দুশো লোকের ওপর বিজয়ী হবে, আবার তোমাদের মাঝে (এমন লোকের সংখ্যা) যদি একশো হয় তাহলে তারা কাফেরদের এক হাজার লোকের ওপর জয় লাভ করবে, কেননা তারা হড়ে– এমন জাতি যারা (আল্লাহর শক্তি সম্পর্কে) কিছুই বোঝে না। (সূরা আনফাল, আয়াত ৬৫)

সূরা আত তাওবা:
যখনি কোনো (নতুন) সূরা নাযিল হয় তখন তারা পরস্পর চোখ চাওয়া-চাওয়ি করে (ইশারায় একে অপরকে জিজ্ঞেস করে); ষ্ক্রকেউ কি তোমাদের দেখতে পাড়ে–?্ অতপর তারা (হেদায়াত থেকে) ফিরে যায়; আল্লাহ তায়ালা তাদের অন্তরকে এভাবেই (সত্য থেকে) ফিরিয়ে দিয়েছেন, কেননা এরা হড়ে– এমন সম্পন্দদায়ের লোক, যারা কিছু অনুধাবন করে না। (সূরা আত তাওবা, আয়াত ১২৭)

(হে মানুষ,) তোমাদের কাছে তোমাদেরই মধ্য থেকে এক রসূল এসেছে, তোমাদের কোনোরকম কষ্ট ভোগ তার ওপর দু:সহ, সে তোমাদের একান্ত কল্যাণকামী, ঈমানদারদের প্রতি সে হচ্ছে ন্যায়পরায়ণ, পরম দয়ালু। (সূরা আত তাওবা, আয়াত ১২৮)

সূরা নাহল :
অতপর (হে নবী,) আমি তোমার ওপর ওহী পাঠালাম, তুমি একনিষ্ঠভাবে ইবরাহীমের মিল্লাত অনুসরণ করো; আর সে কখনো মোশরেকদের দলভুক্ত ছিলো না। (সূরা নাহল, আয়াত ১২৩)

সূরা কাহাফ :
(হে নবী,) তারা যদি এ কথার ওপর ঈমান না আনে তাহলে মনে হয় দু:খে-কষ্টে এদের পেছনে পড়ে তুমি নিজেকেই বিনাশ করে দেবে। (সূরা কাহাফ, আয়াত ৬)

সূরা আম্বিয়া :
(হে নবী,) আমি তো তোমাকে সৃষ্টিকুলের জন্যে রহমত বানিয়েই পাঠিয়েছি। (সূরা আম্বিয়া, আয়াত ১০৭)

সূরা ফোরকান :
কতো মহান তিনি, যিনি তাঁর বান্দার ওপর (সত্য মিথ্যার মাঝে পার্থক্যকারী)ফোরকান্ নাযিল করেছেন, যাতে করে সে (নবী) সৃষ্টিকুলের জন্যে সতর্ককারী হতে পারে, (সূরা ফোরকান, আয়াত ১)

সূরা আহযাব :
আর যদি তোমরা আল্লাহ তায়ালা, তাঁর রসূল ও পরকাল কামনা করো তাহলে (জেনে রেখো), তোমাদের মধ্যে যারা সৎকর্মশীল, আল্লাহ তায়ালা তাদের জন্যে মহা পুরস্কার প্রস্তুত করে রেখেছেন। (সূরা আহযাব, আয়াত ২৯)

তোমাদের মধ্যে যারা খোলাখুলি কোনো অশ্লীল কাজ করবে, তার  শাস্তি দ্বিগুণ করে দেয়া হবে; আর এ কাজ আল্লাহ তায়ালার জন্যে অত্যন্ত সহজ। (সূরা আহযাব, আয়াত ৩০)

তোমাদের ঘরে আল্লাহ তায়ালার কিতাবের আয়াত ও তাঁর জ্ঞান কৌশলের যেসব কথা তেলাওয়াত করা হয় তোমরা তা স্মরণ রেখো; নিসন্দেহে আল্লাহ তায়ালা সূক্ষ্মদর্শী এবং তিনি সম্যক অবগত। (সূরা আহযাব, আয়াত ৩৪)

(হে নবী, স্মরণ করো), যখন তুমি সে ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে বলছিলেÑ যার ওপর আল্লাহ তায়ালা (বিরাট) অনুগ্রহ করেছেন এবং তুমিও (নিজের পুত্র বানিয়ে) যার ওপর অনুগ্রহ করেছোÑ (তুমি তাকে বলেছিলে), তুমি তোমার স্ত্রীকে (বিয়ে বন্ধনে) রেখে দাও এবং আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করো, (কিন্তু এ পর্যায়ে) তোমার মনের ভেতরে যে কথা তুমি লুকিয়ে রেখেছিলে আল্লাহ তায়ালা পরে তা প্রকাশ করে দেন, (আসলে তোমার পালক পুত্রের তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীকে বিয়ে করার ব্যাপারে) তুমি মানুষদের (কথাকেই) ভয় করছিলে, অথচ আল্লাহ তায়ালাই হড়ে–ন ভয় পাওয়ার বেশী হকদার; অতপর (এক সময়) যখন যায়দ তার (স্ত্রীর) কাছ থেকে নিজের প্রয়োজন শেষ করে (তাকে তালাক দিয়ে) দিলো, তখন আমি তোমার সাথে তার বিয়ে সম্পন্ন করে দিলাম, যাতে করে (ভবিষ্যতে) মোমেনদের ওপর তাদের পালক পুত্রদের স্ত্রীদের বিয়ের মাঝে (আর) কোনো সংকীর্ণতা না থাকে, (বিশেষ করে) তারা যখন তাদের স্ত্রীদের কাছ থেকে নিজেদের প্রয়োজন শেষ করে (তাদের তালাক দিয়ে) দেয়, (অবশ্য) আল্লাহ তায়ালার আদেশই (সর্বত্র) কার্যকর হবে। (সূরা আহযাব, আয়াত ৩৭)

হে নবী, আমি তোমাকে (হেদায়াতের) সাক্ষী (বানিয়ে) পাঠিয়েছি, আরো বানিয়েছি (জান্নাতের) সুসংবাদদাতা ও (জাহান্নামের) সতর্ককারী, (সূরা আহযাব, আয়াত ৪৫)
আল্লাহ তায়ালার অনুমতিক্রমে (তোমাকে) তাঁর দিকে আহবানকারী ও (হেদায়াতের) এক সুস্পষ্ট প্রদীপ বানিয়েছি। (সূরা আহযাব, আয়াত ৪৬)
সূরা সাবা :
(হে নবী, এর বাইরে) তোমার জন্যে বৈধ নয় যে, তুমি তোমার (বর্তমান) স্ত্রীদের বদলে (অন্য নারীদের স্ত্রীরুপে) গ্রহণ করবে, যদিও সেসব নারীর সৌন্দর্য তোমাকে আকৃষ্ট করে, অবশ্য তোমার অধিকারভুক্ত দাসীদের কথা আলাদা, স্মরণ রাখবে, আল্লাহ তায়ালা সবকিছুর ওপর তীক্ষ্ম দৃষ্টি রাখেন। (সূরা আহযাব, আয়াত ৫২)

(হে নবী,) আমি তোমাকে সমগ্র মানব জাতির জন্যে (জান্নাতের) সুসংবাদদাতা ও (জাহান্নামের) সতর্ককারীরুপে পাঠিয়েছি, কিন্তু অধিকাংশ মানুষই (তা) জানে না। (সূরা সাবা, আয়াত ২৮)

সূরা সোয়াদ, :
আমরা তো এসব কথা আগের বিধানের মধ্যেও শুনিনি, (আসলে) এ একটি মনগড়া উক্তি ছাড়া আর কিছুই নয়, (সূরা সোয়াদ, আয়াত ৭)

(এ সব) আমার কাছে ওহী করা হয়েছে, আমি (তোমাদের জন্যে) একজন সুস্পষ্ট সতর্ককারী ছাড়া আর কিছুই নই। (সূরা সোয়াদ, আয়াত ৭০)

তুমি বলো, রসূলদের মাঝে আমি তো নতুন নই, আমি এও জানি না, আমার সাথে কি (ধরনের আচরণ) করা হবে এবং তোমাদের সাথেই বা কী (ব্যবহার করা) হবে; আমি শুধু সেটুকুরই অনুসরণ করি যেটুকু আমার কাছে ওহী করে পাঠানো হয়, আর আমি তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী বৈ কিছুই নই। (সূরা আহকাফ, আয়াত ৯)

সূরা তাহরীম :
হে নবী, আল্লাহ তায়ালা তোমার জন্যে যা হালাল করেছেন তা তুমি (কসম করে) নিজের ওপর কেন হারাম করছো, তুমি কি (এর মাধ্যমে) তোমার স্ত্রীদের খুশী কামনা করতে চাও? (আসলে) আল্লাহ তায়ালাই হড়ে–ন ক্ষমার আধার, পরম দয়ালু। (সূরা তাহরীম, আয়াত ১)

সূরা তাহরীম:
আল্লাহ তায়ালা তো তোমাদের শপথ থেকে রেহাই পাবার জন্যে (কাফফারার) একটা পথ নির্ধারণ করে দিয়েছেন, (মূলত) আল্লাহ তায়ালাই হড়ে–ন তোমাদের একমাত্র সহায়, তিনিই সর্বজ্ঞ, তিনিই প্রজ্ঞাময়। (সূরা তাহরীম, আয়াত ২)

যখন নবী তার স্ত্রীদের একজনকে চুপিসারে কিছু একটা কথা বললো এবং সে যখন (তা অন্যদের কাছে) প্রকাশ করে দিলো, তখন আল্লাহ তায়ালা তার এ বিষয়টা নবীকে (ওহীর মাধ্যমে) জানিয়ে দিলেন, রসূল কিছু কথা (গোপনীয় বিষয় প্রকাশকারী স্ত্রীকে) জানিয়ে দিলো, (আবার) কিছু কথা এড়িয়েও গেলো, অতপর নবী যখন তার সে স্ত্রীকে সে বিষয়টা জানালো, তখন সে বললো, আপনাকে এ খবরটা কে জানালো; নবী বললো, আমাকে জানিয়েছেন (সেই মহান আল্লাহ তায়ালা), যিনি সর্বজ্ঞ, সম্যক জ্ঞাত। (সূরা তাহরীম, আয়াত ৩)

(আজ) নবী যদি তোমাদের তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তাঁর মালিক তোমাদের বদলে এমন সব স্ত্রী তাকে দিতে পারেন, যারা তোমাদের চাইতে হবে উত্তম, যারা হবে আত্মসমর্পণকারী, বিশ্বস্ত, ফরমাঁবরদার, অনুশোচনাকারী, অনুগত, রোযাদার (হতে পারে তারা) কুমারী, (হতে পারে) অকুমারী। (সূরা তাহরীম, আয়াত ৫)

সূূত্র: কোরআন শরীফ সহজ সরল বাংলা অনুবাদ
আল কোরআন একাডেমী পাবলিকেশন্স

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY