প্রিয় নবী(স)এর পরিন্নতা ও চিত্তবিনোদন

0
328

প্রিয় নবী(স)এর পরিন্নতা ও চিত্তবিনোদন

গোসল: নিয়মিত ভালোভাবে গোসল করতেন। তিনি বলতেন, পরিষ্কার পরিচ্চন্নতা তাকওয়ার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্তরে রয়েছে। গোসলের সময় তিনি শরীয়তের বিধান মেনে চলতেন।
নাক পরিষ্কার : প্রিয়নবী সর্বদা নাক কান পুরষ্কার রাখতেন, রসূল (স.) বাম হাতে নাক পরিষ্কার করতেন।
জুতো: পরিদেয় সব জিনিস তিনি পরিষ্কার করতেন। জুতা স্যান্ডেলও বাদ যেতোনা। জুতো স্যান্ডেলও বাম হাতে পরিষ্কার করতেন।

চিত্ত বিনোদনের :
চিত্ত বিনোদনের জন্য প্রকৃতির সান্নিধ্যে যেতেন। আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতেন। হুযুর (স.) বাগানে ঘুরতে যেতেন। ঘোড়ায় আরোহন ছিলো তাঁর বিশেষ পছন্দের। মাঝে মাঝে গাধার পিঠেও তিনি সওয়ার হতেন। এসব প্রানীদেও তিনি কষ্ট দিতেন না, তিনি তাদেও যত্ন নিতেন।

হাস্যরস
একদিন তিনি একজনকে, ‘‘ওহে ভাই, দুই কানওয়ালা’’ বলে ডাক দিলেন। আরেকদিন সওয়ারী চেয়ে একদিন বললেন, ‘‘সওয়ারীর জন্য কি উটের কোনো শাবক পাওয়া যাবে?’’

এক বৃদ্ধা মহিলা জিজ্ঞাসা করলেন, বৃদ্ধ মহিলারা  কি বেহেশতে যাবে না? রসূল (স.) বললেন, না যাবে না। বৃদ্ধা একথা শুনে কাঁদতে শুরু করলেন। হুযুর (স.) বললেন, বৃদ্ধারা যুবতী হয়েই বেহেশতে প্রবেশ করবে।

হাসি কান্না
প্রিয় নবী (স.) কখনো অট্টহাসি হাঁসতেন না। কাউকে উচ্চস্বরে হাঁসতে দেখলে বলতেন, মৃত্যুর কথা যদি তোমার স্মরণ থাকে তবে অমন করে হেসো না।

হাঁসির সময়ে হুযুর (স.)-এর দাঁত দেখা যেতো; কিন্তু কোনো শব্দ হতো না। কান্নার সময়েও কোনো শব্দ হতো না।

দীর্ঘশ্বাস ফেলে ‘‘আহ্ বলতেন এবং চাখ বেয়ে অশ্রু প্রবাহিত হতো। শোক এবং দু:খ কষ্ট প্রকাশের জন্য মাথায় মুখে এবং দাঁড়িতে হাত বুলাতেন। এরপর বলতেন ‘‘হাছবুনাল্লাহু ওয়া ন্মোল ওয়াকীল্’’। অর্থাৎ আল্লাহ পাকই যথেষ্ট এবং তিনি উত্তম অভিভাবক।

উচ্চস্বরে কান্নাকাটি আহাযারি করতে রসূল (স.) নিষেধ করেছেন।

সূূত্র: তিনি চাঁদেও চেয়ে সুন্দর: খাদিজা আখতার রেজায়ী: আল কোরআন একাডেমী লন্ডন

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY