ছূর পর্বতের গুহায় প্রিয় নবী (স)

0
145

ছূর পর্বতের গুহায় প্রিয় নবী (স)

গুহার কাছে পৌঁছে আবু বকর (রা.) রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বললেন, একটু অপেক্ষা করুন। আমি আগে প্রবেশ করে দেখে নেই। গুহাগাত্রের একদিকে কয়েকটি গর্ত ছিলো, যেগুলো পরনের লুংগি ছিঁড়ে বন্ধ করেন, দ্ুিট গর্ত বাকি ছিলো, সেগুলোতে পা চাপা দিয়ে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ভেতরে আসার আহবান জানান। তিনি ভেতরে গিয়ে আবু বকরের কোলে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েন। ইতিমধ্যে হযরত আবু বকর (রা.)-কে কিসে যেন দংশন করে, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘুম ভেঙ্গে যেতে পারে এ আশঙ্কায় তিনি নড়াচড়া করেননি, কিন্তু তাঁর চোখের পানি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারায় পড়লে তিনি জেগে ওঠে আবু বকর (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কি হয়েছে? তিনি বললেন, আমার মা বাপ আপনার ওপর কোরবান হোন! কিসে যেন আমাকে দংশন করেছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খানিকটা থুতু নিয়ে দংশিত স্থানে লাগিয়ে দেন। সাথে সাথে বিষের যাতনা দূর হয়ে যায়।

এখানে তাঁরা শুক্র, শনি ও রবিবার এ তিন দিন অবস্থান করেন।
এ সময় হযরত আবু বকরের পুত্র আবদুল্লাহও এখানে রাত যাপন করতেন। হযরত আয়েশা (রা.) বলেন, আবদুল্লাহ ছিলো খুবই বুদ্ধিমান যুবক। সে শেষ রাতের অন্ধকারে ছূর গুহা থেকে চলে আসতো এবং সকাল বেলায় তাকে দেখা যেতো, যেন রাতে মক্কাতেই ছিলো।
এদিকে হযরত আবু বকরের ক্রীতদাস আমের ইবনে ফোহায়রা বকরী চরাতেন। রাতের আঁধার গভীর হলে তিনি বকরী নিয়ে তাঁদের কাছে গিয়ে দুধ দোহন করে দিতেন। উভয়ে তৃপ্তির সাথে দুধ পান করতেন।

আর রাহিকুল মাখতুম থেকে

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY