আরবি শেখার প্রবণতা বাড়ছে আমেরিকায়

0
195

যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষার্থীদের একটা বড়ো অংশ ঝুঁকে পড়ছে আরবি ভাষা শিক্ষার প্রতি। কিছুসংখ্যক আমেরিকান দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে আরবি ভাষাকে প্রাধন্য দিচ্ছেন, তার পরেই আছে ইংলিশ, স্প্যানিশ এবং চাইনিজ। আর এই ভাষাগুলো শেখানো শুরু করা হয় মূলত কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলো থেকেই এবং কিছু বড় শহরের কলেজগুলোতে। যেহেতু আমেরিকার স্কুলগুলোতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ভাষা শিক্ষার সুযোগ রয়েছে, সে সুযোগে আরবিকে বেচে নিচ্চে তারা। সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুসলিম বিরোধী কথাবার্তা নিয়ে পুরো যুক্তরাষ্ট্রে যখন সমালোচনার ঝড় বইছে ঠিক তখনই আমাদের সামনে উঠে আসলো আর একটি তথ্য।

টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন লেবানিজ আমেরিকান এ্যারাবিক অধ্যাপক মাহমুদ আল-বাতাল বলেন ‘কিছু মানুষ আছে যারা পেশাগত কাজের জন্য আরবি ভাষায় পড়ালেখা করে থাকে, আবার কেউ সরকারি চাকরির জন্য। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত আমেরিকানরা আরবি ভাষা শেখে মূলত ভিন্ন একটি সংস্কৃতি সম্পর্কে জানার জন্য।

মডার্ণ ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী ২০০২ সাল থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কলেজগুলোতে আরবি ভাষা শেখার জন্য কোর্সগুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় তিনগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এই তথ্যটি উঠে এসেছে নাইন ইলেভেন হামলার পরবর্তী সময়ে।

আন্তর্জাতিক কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরার পক্ষ থেকে একটি দলকে যুক্তরাষ্ট্রের মেরি হোয়াইট ওভিংটন স্কুলে পর্যবেক্ষনের জন্য পাঠানো হয়। তারা সেখানে গিয়ে দেখতে পায় স্কুল গুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের শিক্ষার্থী এবং কিছু এশিয়ান। তাদের দেখে বোঝার কোন উপায় নেই যে, তারা আরব থেকে এসেছে নাকি অন্য কোন দেশ থেকে নাকি যুক্তরাষ্ট্রেরই নাগরিক। তারা সবাই বসে আরবি গল্পের বই পড়ছে এবং কেউ কেউ আবার আরবের সুস্বাদু খাবার কাবাব এবং নানরকম মুখরোচক খাবার নিয়েও আলোচনা করছে। প্রত্যেক শ্রেণিতে ২৫ জন করে শিক্ষার্থী যারা বাড়িতে আরবি ভাষায় কথা বলে, যদিও একসময় তারা ইংলিশ ও স্প্যানিশ ভাষা ছাড়া কিছুই বলতে পারতো না।
সূত্র: islamicnewsdaily.com

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY