প্রিয় নবীর খোতবার ঐতিহ্য ধরে রাখুন

0
130

বিসমিল্লাহির রহমানির রাইীম

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ

প্রিয় পাঠক

আমরা যারা প্রতি জুমাবারে আল্লাহ তায়ালার আদেশে জুমার নামায আদায় করার জন্যে পাড়া মহল্লার মসজিদে একত্রিত হই। বলতে পারেন কোন জিনিস আমাদের বেশী আকৃষ্ট করে? জুমাবারের সে অতুলনিয় বিষয়টি হচ্ছে জুমার খোতবা, হাঁ সে খোতবা নিয়েই কয়েকটি কথা আমি নিবেদন করতে চাই।

খোতবা মানে বক্তৃতা, ভাষণ।এই ভাষণটাই যখন জুমবার দিন জুমার নামাযের আগে পেশ করা হয় তখন আমরা একে শুধু ভাষণ বক্তৃতার মধ্যেই সীমিত রাখিনা,তখন আমরা এর জন্যে নতুন শব্দ ও পরিভাষা ব্যবহার করি, আর সে শব্দ ও পরিভাষাটি হচ্ছে “খোতবা”। খোতবা বলতেই আমাদের সবার চোখের সামনে মসজিদের সুসজ্জিত মেহরাবের একটি দৃশ্য ভেসে উঠে। এই খোতবাটি শুরু করেছিলেন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম। সর্বপ্রথম আল্লাহর নবী যখন মদীনার গলিতে জুমার নামাজ শুরু করেছিলেন, তখন প্রথম জুমাতেই তিনি একটি ঐতিহাসিক খোতবা সেখানে প্রদান করেছিলেন। তিনি আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালার অগুনতি তারিফ করে ও রসূলের ওপর সালাম পেশ করে এতে মুসলমানদের সমসাময়িক নানা সমস্যায় তাদের পথ নির্দেশ দিতেন। মদীনায় তার ১০ বছরের জীবনে যতগুলো জুমায় যতগুলো খোতবা তিনি দিয়েছেন তার প্রতিটি খোতবাই দাড়ি কমা সেমিকোলন সহ হাদীসের কিতাব সমূহে মজুদ রয়েছে। মজুদ আছে ঠিক আগের মত এর মহত্ত্ব ও মর্যাদা নিয়ে । পৃথিবীর  বিভিন্ন ভাষায় এগুলোর সমৃদ্ধ কিছু সংগ্রহও প্রকাশিত হয়েছে। আল-কোরআন একাডেমী পাবলিকেশন্সও সম্প্রতি এর বাংলা অনুবাদ প্রকাশ করেছে। দেশ বিদেশের সন্মানিত আলেম ওলামা , ইমাম ও খতিবরা যদি প্রিয় নবীর খোতবাগুলোকে পূর্ণর্জীবিত করতে পারেন, তাহলে উম্মতে মোহাম্মাদীকে যেমন তাদের ঐতিহ্যের সাথে জুড়ে দেয়া যাবে  তেমনি খোতবার মত একটি মূল্যবান ঐতিহ্য নিয়ে নানা  অহেতুক বিতর্কের অবসান হবে ।

বিনীত

হাফেজ মুনির উদ্দীন আহমদ13466388_1756071501281077_2073791806686577968_nuntitled-22

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY