প্রকাশ্য তাবলীগ: দ্বিতীয় পর্যায়

0
54

প্রকাশ্যে দাওয়াতের প্রথম নির্দেশ
এ সম্পর্কে সর্বপ্রথম আল্লাহ তায়ালার এ নির্দেশ নাযিল হয়, ‘হে নবী, তুমি তোমার নিকটাত্নীয়দের (আল–াহর আযাব সম্পর্কে ভয় প্রদর্শন করো।’ এটি হচ্ছে সূরা শোয়ারার আয়াত। এ সূরায় সর্বপ্রথম হযরত মুসা (আ.)-এর ঘটনা ব্য৩ করে বলা হয়েছে, কিভাবে হযরত মূসা (আ.)-এর নবুয়তের সূচনা হয়েছে, অতপর তিনি বনী ইসরাঈলসহ হিজরত করে নাজাত পেয়েছিলেন এবং ফেরাউন ও তার জাতিকে নীল নদে ডুবিয়ে মারা হয়েছিলো। অন্য কথায় এ আলোচনা সেসব পর্যায়কে শামিল করে, হযরত মুসা (আ.) ফেরাউন এবং বনী ইসরাঈলদের দ্বীনের দাওয়াত দিতে গিয়ে যেসব পর্যায় অতিক্রম করেছিলেন।
আমার ধারণা, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তাঁর কওমের মধ্যে প্রকাশ্য তাবলীগের নির্দেশ দেয়ার পর হযরত মূসা (আ.)-এর ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ এ কারণেই দেয়া হয়েছে, যাতে প্রকাশ্যে দ্বীনের দাওয়াত দেয়ার পর হযরত মূসা (আ.)-কে যেভাবে প্রতিকূল পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে হয়েছিলো এবং যে ধরনের বাড়াবাড়ি তাঁর সাথে করা হয়েছিলো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সাহাবায়ে কেরামের সামনে যেন তার একটা নমুনা বিদ্যমান থাকে।
অন্যদিকে এ সূরায় নবীদের মিথ্যা প্রতিপন্নকারী সম্প্রদায়সময়হ, যেমন ফেরাউন ও তার সম্প্রদায়, নূহের সম্প্রদায়, আদ, সামুদ, ইবরাহীমের সম্প্রদায়, লুতের সম্প্রদায়, আইকার অধিবাসীদের পরিণাম কিরূপ হয়েছিলো, সে সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়েছে। সম্ভবত এর উদ্দেশ্য ছিলো, যারা  রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু (স.)-কে মিথ্যা প্রতিপন্ন করবে, তারা যেন বুঝতে পারে, তাঁকে মিথ্যা প্রতিপন্নকরণ আড়ি ধরে থাকলে তাদের পরিণাম এবং তারা আল্লাহর কিরূপ পাকড়াওয়ের সন্মখীন হতে হবে, সেটা যেন তারা বুঝতে পারে। পরন্তু ঈমানদাররাও যেন বুঝতে পারেন, উত্তম পরিণাম তাদের জন্যেই রয়েছে। পক্ষান্তরে যারা নবীকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে, তাদের পরিণাম মোটেই ভালো হবে না।
নিকটাত্নীয়দের মধ্যে তাবলীগ
এ আয়াত নাযিল হওয়ার পর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে বনু হাশেমদের সমবেত করেন। তাদের সাথে বনু মোত্তালেব ইবনে আবদে মানাফের একটি দলও ছিলো। তারা ছিলো মোট পঁয়তাল্লিশ জন, কিন্তু আবু লাহাব কথা লুফে নিয়ে বিরোধিতার সুরে বললো, দেখো, এরা তোমার চাচা এবং চাচাতো ভাই। কথা বলো, তবে মূর্খতার পরিচয় দিয়ো না এবং মনে রেখো, তোমার খান্দান সমগ্র আরবের সাথে মোকাবেলা করতে পারবে না। আমিই তোমাকে পাকড়াও করার বেশি হকদার। তোমার জন্যে তোমার পিতৃকুলের লোকেরাই যথেষ্ট। যদি তুমি তোমার কথার ওপর অটল থাকো, তাহলে কোরায়শের সব গোত্র তোমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়া সহজ হবে। আরবের অন্যান্য গোত্রও তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসবে। এরপর কি হবে? তোমার পিতৃকুলের মধ্যে তুমিই হবে সবচেয়ে বেশি ধ্বংসাত্নক কাজের মানুষ। এসব কথা শুনে নবী করীম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চুপ করে রইলেন, সে মজলিসে কোনো কথা বললেন না।
নবী করীম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরপর পুনরায় তাদের সমবেত করে বললেন, ‘আল্লাহর জন্যেই সকল প্রশংসা। আমি তাঁর প্রশংসা করছি এবং তাঁর কাছেই সাহায্য চাইছি। তাঁর ওপর ভরসা করছি। আমি এ সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ব্যতীত এবাদাতের উপযুক্ত কেউ নেই। তিনি এক অদ্বিতীয়, তাঁর কোন শরীক নেই। এরপর বলেন, পথপ্রদর্শক তার পরিবারের লোকদের কাছে মিথ্যা বলতে পারে না। সেই আল্লাহর শপথ, যিনি ছাড়া কোন উপাস্য নেই, আমি তোমাদের প্রতি বিশেষভাবে এবং অন্য সব মানুষের প্রতি সাধারণভাবে আল্লাহর রসূল হিসাবে প্রেরিত হয়েছি। আল্লাহর শপথ, তোমরা যেভাবে ঘুমিয়ে থাকো, সেভাবেই একদিন মৃত্যুমুখে পতিত হবে। ঘুম থেকে যেভাবে তোমরা জাগ্রত হও, সেভাবেই একদিন তোমাদের ওঠানো হবে। এরপর তোমাদের থেকে তোমাদের কৃতকর্মের হিসাব নেয়া হবে। তারপর রয়েছে চিরকালের জন্যে হয়তো জান্নাত নতুবা জাহান্নাম।’
একথা শুনে আবু তালেব বললেন, তোমাকে সহায়তা করা আমার কতো যে পছন্দ, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। তোমার উপদেশ গ্রহণযোগ্য। তোমার কথা আমি সত্য বলে বিশ্বাস করি। এখানে তোমার পিতৃকুলের সকলে উপস্থিত রয়েছে, আমিও তাদের একজন। পার্থক্য এতোটুকু, তোমার পছন্দের পূর্ণতা সাধনে আমি এদের সবার অগ্রগামী। কাজেই তুমি যে কাজের নির্দেশ পেয়েছো তা করে যেতে থাকো। আল্লাহর কসম, আমি অব্যাহতভাবে তোমার হেফাযত এবং সহায়তা করে যাবো। তবে আমার মন আবদুল মোত্তালেবের দ্বীন ছাড়ার পক্ষপাতী নয়। আবু লাহাব বললো, আল্লাহর শপথ, এটা একটা মন্দ কাজ। অন্যদের আগে তোমরাই তার হাত ধরে ফেলো? আবু তালেব বললেন, আল্লাহর শপথ, যতোদিন বেঁচে থাকি, ততোদিন আমি তার হেফাযত করতে থাকবো।

সাফা পাহাড়ের ওপর তাবলীগ
নবী করীম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন নিশ্চিতভাবে বুঝলেন, আল্লাহর দ্বীনের তাবলীগে আবু তালেব তাঁকে সহায়তা করবেন, তখন তিনি একদিন সাফা পাহাড়ে ওঠে আওয়ায দিলেন, ইয়া সাবাহাহ (হায় সকাল)। এ আওয়ায শুনে কোরায়শ গোত্রসমূহ তাঁর কাছে সমবেত হয়। তিনি তাদের আল্লাহর তাওহীদ, নিজের রেসালাত এবং রোয কেয়ামতের ওপর বিশ্বাস স্থাপনের দাওয়াত দেন। এ ঘটনার এক অংশ সহীহ বোখারীতে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে এভাবে বর্ণিত রয়েছে-
‘হে নবী, তোমার নিকটাত্নীয়দের আল্লাহর আযাব সম্পর্কেভয় প্রদর্শন করো।’ এ আয়াত নাযিল হওয়ার পর নবী করীম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাফা পাহাড়ের ওপর আরোহণ করে আওয়ায দিলেন, হে বনী ফেহর, হে বনী আদী। এ আওয়ায শুনে কোরায়শের সকল লোক একত্রিত হয়। যিনি যেতে পারেননি তিনি বিষয়টা জানার জন্যে একজন প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন। কোরায়শরা হাযির হয়, আবু লাহাবও তাদের সথে ছিলো। এরপর তিনি বললেন, তোমরা বলো, যদি আমি তোমাদের বলি, পাহাড়ের ওইদিকের প্রান্তরে একদল ঘোড়সওয়ার আত্নগোপন করে আছে, ওরা তোমাদের ওপর হামলা করতে চায়, তোমরা কি সে কথা বিশ্বাস করবে? সবাই বললো, হাঁ বিশ্বাস করবো, কারণ আপনাকে আমরা কখনো মিথ্যা বলতে শুনিনি। আপনার সম্পর্কে আমাদের সত্য বলার অভিজ্ঞতাই রয়েছে। নবী করীম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তবে শোনো, আমি তোমাদের এক ভয়াবহ আযাবের ব্যাপারে সাবধান করতে প্রেরিত হয়েছি। আবু লাহাব বললো, তুমি দিনভর ধ্বংস হও। তুমি আমাদের একথা বলার জন্যেই কি এখানে সমবেত করেছো?
আবু লাহাব একথা বলার পর আল্লাহ তায়ালা সূরা লাহাব নাযিল করেন। এতে বলা হয়, আবু লাহাবের দু’টি হাত ধ্বংস এবং সে নিজেও ধ্বংস হোক।
এ ঘটনার আরেক অংশ ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রথে’। হযরত আবু হোরায়রা (রা.)-এর বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘নিকটাত্নীয়দের (আল্লাহর আযাব সম্পর্কে ভয় প্রদর্শন করো’- এ আয়াত নাযিল হওয়ার পর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাধারণ ও বিশেষভাবে আওয়ায দেন। তিনি বললেন, ‘হে কোরায়শ দল, তোমরা নিজেদের জাহান্নাম থেকে রক্ষা করো। হে বনী কা’ব, নিজেদের জাহান্নাম থেকে রক্ষা করো। হে মোহাম্মাদের মেয়ে ফাতেমা, নিজেকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করো। আমি তোমাদের আল্লাহর পাকড়াও থেকে রক্ষার কিছুমাত্র ক্ষমতা রাখি না। যেহেতু তোমাদের সাথে আমার বংশ ও আত্নীয়তার সম্পর্ক রয়েছে, যা  আমি তার অন্তর্নিহিত সজীবতা অনুযায়ী সজীব করবো।
সত্যের প্রকাশ্য ঘোষণা এবং মোশরেকদের প্রতিক্রিয়া
প্রকাশ্যে ইসলামী দাওয়াতের আওয়াযের গুঞ্জন তখনো মক্কার আশেপাশে শোনা যাচ্ছিলো। এমন সময় আল্লাহ তায়ালা এ আদেশ নাযিল করেন, ‘তোমাকে যে আদেশ দেয়া হয়েছে, সেটা তুমি খোলাখুলি ঘোষণা করো এবং মোশরেকদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও।’ (১৫, ৯৪)
এরপর রসূলে আকরাম নবী করীম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পৌত্তলিকতার নোংরামি ও অকল্যাণসমূহ প্রকাশ্যে তুলে ধরে মিথ্যার পর্দা উন্মোচন, মূর্তিসমূহের অন্তসারশূন্যতা ও মূল্যহীনতা তুলে ধরে তাদের স্বরূপ উদঘাটন শুরু করেন। তিনি উদাহরণ দিয়ে দিয়ে বোঝাতে থাকেন, মূর্তিূলো কি রকম অপদার্থ এবং শ৩িহীন। তিনি দলীল প্রমাণ দ্বারা সুস্পষ্ট করে দিতেন, যারা এসব মূর্তিপূজা করে এবং নিজের ও আল্লাহর মধ্যে সেগুলোকে মাধ্যম হিসাবে স্থির করে, তারা সুস্পস্ট পথভ্রষ্টতার মধ্যে রয়েছে।
পেথত্তলিক এবং মূর্তি উপাসকদের পথভ্রষ্ট বলা হয়েছে- একথা শোনার পর মক্কার অধিবাসীরা ক্রোধে দিশেহারা হয়ে পড়ে। তাদের ওপর যেন বজ্রপাত হলো, নিজেদের নিরুদ্বেগ শান্তিপূর্ণ জীবনে তারা যেন ঝড়ের তান্ডব দেখতে পেলো। এ কারণেই কোরায়শরা অকস্মাৎ উদ্ভূত এ বিপ্লবের শেকড় উৎপাটনের জন্যে উঠে দাঁড়ায়। কেননা এ বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পৌত্তলিক রসম রেওয়াজ নির্মূল হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
কোরায়শরা কোমর বেঁধে উঠে দাঁড়ালো। কারণ তারা জানতো, আল্লাহ ছাড়া অন্য সকলকে মাবুদ হিসাবে অস্বীকার এবং রেসালাত ও আখেরাতের ওপর বিশ্বাস স্থাপনের অর্থ হচ্ছে নিজেকে পরিপূর্ণভাবে রেসালাতের হাতে ন্যস্ত করা এবং বিনা বাক্যব্যয়ে তার কাছে আত্নসমর্পণ করা। এতে করে অন্যদের তো প্রশ্নই আসে না, নিজের জানমাল সম্পর্কে পর্যন্ত নিজের কোনো এখতিয়ার থাকে না। এর অর্থ হচ্ছে, আরবের লোকদের ওপর মক্কার লোকদের যে ধর্মীয় শ্রেষ্ঠত্ব ও কর্তৃত্ব ছিলো, সেটা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। ফলে আল্লাহ এবং তাঁর রসূলের ইচ্ছাই হবে চূড়ান্ত, নিজেদের ইচ্ছামতো তারা কিছুই করতে পারবে না। নীচু শ্রেণীর লোকদের ওপর তারা যে অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে আসছিলো, সকাল সন্ধ্যা তারা যেসব ঘৃণ্য কাজে ডুবে ছিলো, সেসব থেকে তাদের দূরে থাকতে হবে। কোরায়শরা এর অর্থ ভালোই বুঝতে পারছিলো। তাই নিজেদের দৃষ্টিতে তারা এরূপ  অবমাননাকর অবস্থা মেনে নিতে পারছিলো না, কিন্তু এটা কোন কল্যাণ মথলের প্রত্যাশায় নয়, বরং আরো বেশী মন্দ কাজে নিজেদের জড়িত করাই এর উদ্দেশ্য। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘বরং এ জন্যে, মানুষ চায় ভবিষ্যতেও তারা মন্দ কাজে লিপ্ত হবে।’ (৫, ৭৫)
কোরায়শরা এসব কিছুই বুঝতে পারছিলো, কিন্তু মুশকিল হচ্ছে, তাদের সামনে এমন এক ব্য৩ি ছিলেন, যিনি সত্যবাদী, বিশ্বাসী, মানবীয় মূল্যবোধ ও সচ্চরিত্রের উত্তম দৃষ্টান্ত। দীর্ঘকাল যাবত মক্কার অধিবাসীরা পূর্বপুরুষদের ইতিহাসে এ ধরনের দৃষ্টান্ত দেখেনি, শোনেওনি। এমন এক ব্যক্তিত্বের সাথে তারা কিভাবে মোকাবেলা করবে, সেটাও ভেবে ঠিক করতে পারছিলো না। এ নিয়ে তারা ছিলো অস্থির চঞ্চল। অবশ্য তাদের এভাবে অস্থির চঞ্চল হওয়ার পেছনে কিছু কারণও ছিলো।
অনেক চিন্তা ভাবনার পর একটা পথ তাদের বুঝে আসে। সুতরাং সিন্ধান্ত হলো, তারা রসূল (স.)-এর চাচা আবু তালেবের কাছে যাবে এবং তাকে অনুুরোধ করবে, যেন তিনিই তার ভ্রাতুস্পত্রকে তার কাজ থেকে বিরত রাখেন। নিজেদের দাবীকে যু৩িগ্রাহ্য ও বিশ।াসযোগ্য করতে তারা এ দলিল তৈরী করলো যে, তাদের উপাস্যদের পরিত্যাগ করার দাওয়াত দেয়া এবং তারা যে ভালো-মন্দ কোনো কিছু করার শ৩ি রাখে না, এ কথা বলা প্রকৃতপক্ষে তাদের উপাস্যদের জন্যে অবমাননাকর এবং মারাত্নক গালিস্বরূপ। তাছাড়া এটা হচ্ছে আমাদের পূর্বপুরুষদের নির্বোধ এবং পথভ্রষ্ট আখ্যায়িত করার সমার্থক। কেননা বর্তমানে আমরা যে ধর্ম বিশ্বাসের ওপর রয়েছি, তারাও একই ধর্ম বিশ্বাসের ওপর জীবন অতিবাহিত করে গিয়েছিলেন। অপরাপর কোরায়শদের এসব কথা বোঝানোর পর তারা সহজেই বুঝাতে পারে এবং এতে দ্রুত সাড়া দেয়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY