ইসলামের সাম্যের সার্বজনীনতা

0
43

আমাদের সভ্যতায় আইনের যে প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায় এতে বোঝা যায় এই সভ্যতায় সর্বত্র মানুষের সাম্যের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। নামায আদায় করার সময় সবাই আল্লাহর সামনে একইভাবে দাঁড়ায়। এ সময় কোনো বাদশাহ সর্দার বা আলেমের জন্যে কোনো জায়গা বিশেষভাবে নির্ধারিত হয় না। রমজানের রোযা পালনের সময়ে সবাই একই রকম ক্ষুধার্ত থাকে। এক্ষেত্রেও ধনী গরীবের মধ্যে কোনো প্রকার পার্থক্য করা হয় না। হজ্জ পালনের সময়ে সবাই একই রকমের পোশাক পরিধান করে। আল্লাহর দরবারে একইভাবে সবাই দাঁড়ায়। হজ্জের বিধি বিধান একই নিয়মে সবাই পালন করে। এক্ষেত্রে কাছের দূরের শক্তিমান দুর্বল বিশেষ ব্যক্তি সাধারণ ব্যক্তি এ রকম কোনো পার্থক্য করা হয় না। যদি আমরা দেওয়ানী আইনের প্রতি লক্ষ্য করি তবে দেখতে পাবো এই আইনে সকল মানুষের সঙ্গে একই রকম ইনসাফ ভিত্তিক আচরণ করা হয়। আইন প্রণয়নের প্রকৃত উদ্দেশ্য হচ্ছে সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা। অত্যাচার প্রতিরোধের জন্যেই আইন প্রয়োগ করা হয়। মাযলুমকে আশ্রয় দেয়াই হচ্ছে আইনের একমাত্র উদ্দেশ্য। ফৌজদারী আইনের বিষয়ে লক্ষ্য করলে আমরা দেখতে পাবো, এখানে প্রত্যেক মানুষের জন্যে একই রকমের শাস্তির বিধান প্রযোজ্য। কেউ যদি কাউকে হত্যা করে বিনিময়ে তাকেও হত্যা করা হয়। কেউ যদি চুরি করে তবে শাস্তি পায়। কেউ যদি কোনো কাজে বাড়াবাড়ি করে তবে তাকে উপযুক্ত শাস্তি দেয়া হয়। হত্যাকারী আলেম হোক বা মূর্খ হোক, নিহত ব্যক্তি ধনী হোক বা গরীব হোক, যার উপর যুলুম করা হয়েছে বাড়াবাড়ি করা হয়েষে সে আরব হোক অনারব হোক, প্রাচ্যের হোক পাশ্চাত্যের হোকÑ সবাই আইনের দৃষ্টিতে এক সমান।
আল্লাহ তায়ালা বলেন, স্বাধীন ব্যক্তির বদলা স্বাধীন ব্যক্তি থেকে, গোলামের বদলা গোলামের কাছ থেকে, নারীর বদলা নারীর কাছ থেকে নিতে হবে। (সূরা আল বাকরা, আয়াত   )

ইসলামের উন্নত দৃষ্টিভঙ্গি
ইসলামের আইন একটি উন্নত দৃষ্টিভঙ্গির পরিচায়ক। ইসলামের আইন ধর্ম গোত্র বর্ণ নির্বিশেষে সমগ্র মানবজাতিকে সমান মর্যাদা দেয়। কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, নিশ্চয়ই আমি বনী আদমকে সম্মান দান করেছি। (সূরা বনী ইসরাঈল, আয়াত ৭০)
এই সম্মান এবং মর্যাদা সকল মানুষের জন্মগত অধিকার। ধর্মবিশ্বাস স্থানকালপাত্র নির্বিশেষে সকল মানুষকে জীবন যাপনের একই রকম সুযোগ দান করে। ইসলামী রাষ্ট্রের কর্তব্য হচ্ছে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে পালন করা। ইসলামী শরীয়ত মানুষকে অধিক মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করে। ইসলাম বলেছে, মানুষের মর্যাদা আল্লাহর কাছে তাদের বাহ্যিক আকৃতি দেখে নির্ধারিত হবে না বরং তাদের মর্যাদা তার নিয়ত অনুযায়ীই নির্ধারিত হবে। রসূল (স.) বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা তোমাদের চেহারা দেখেন না বরং তিনি দেখের তোমাদের অন্তকরণ। (মোসলেম)
শাস্তি এবং পুরস্কার প্রকৃতপক্ষে নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। রসূল (স.) বলেন, মানুষের কাজের ফলাফল তাদের নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। প্রত্যেক ব্যক্তি সেটাই পাবে যা সে নিয়ত করবে।
একই সংগে ইসলামে এ কথাও বলা হয়েছে যে, আল্লাহর কাছে পছন্দনীয় নিয়ত হচ্ছে কল্যাণ, মংগলও আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়ার নিয়ত। নিয়ত করার সময়ে পার্থিব অথবা বাণিজ্যিক কোনো উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সামনে থাকবে না। আল্লাহ তায়ালা বলেন, এবং তোমাদের প্রতিপালকের এবাদাত করো এবং সৎকর্ম করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো। (সূরা হজ্জ, আয়াত ৭৭)
এই সৎকাজ শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়ার জন্যেই করতে হবে। কারো উপকার করার পর তার কাছ থেকে বিনিময় পাওয়ার অথবা পারিশ্রমিক পাওয়ার জন্যে নয়।
কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘এরা শুধু আল্লাহর ভালোবাসায় (উদ্বুদ্ধ হয়েই ফকীর), মেসকীন, এতীম ও কয়েদীদের খাবার দেয়। (খাবার দেয়ার সময় এরা বলে,) আমরা শুধু আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির জন্যেই তোমাদের খাবার দিচ্ছি, (বিনিময়ে) আমরা তোমাদের কাছ থেকে কোনো রকম প্রতিদান চাই নাÑ না (চাই) কোনো রকম কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন। (সূরা আদ দাহর, আয়াত ৮-৯)

দৃষ্টিভঙ্গির প্রসারতা এবং সাফল্য
ইসলামের তৈরী আইন মানুষের প্রতি ভালোবাসাকে তখনই চূড়ান্ত পর্যায়ে উন্নীত করে যখন মানুষ, পশু, উদ্ভিদ, জড়পদার্থ মাটি আকাশ সবকিছুকে আল্লাহর বন্দেগী এবং প্রকৃতিক আইনের আনুগত্যের মধ্যে গ্রথিত করে দেয়। কোরআনে কতো চমৎকারভাবে সকল মুসলমানকে নামাযের প্রত্যেক রাকাতে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে, সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যে নিবেদিত যিনি সৃষ্টিকূলের প্রতিপালক। যিনি পরম করুনাময় ও অতি দয়ালু।
ইসলামী আইন মুসলমানদের কাছে এ দাবী করে যে, সকল মুসলমান সব সময় একথা মনে রাখবে যে, তারা আল্লাহ তায়ালার এই সৃষ্টিকূলেরই অংশ। তারা সবাই এক পরম করুনাময় সত্তার সৃষ্টি। যার করুনা সব জিনিসের কাছে সমানভাবে পৌঁছে যায় এবং সবাইকে শামিল করে। এ কারণে সকল মুসলমানের কর্তব্য হচ্ছে তারা যে পৃথিবীতে বসবাস করে এবং তারা যার মুখাপেক্ষি তার করুনার গুণে নিজেদের যেন গুণানি¦ত করে। মনে রাখতে হবে যে, আল্লাহ তায়ালা বান্দার কোনো কিছুরই মুখাপেক্ষী নন।

এসব ঘোষণা কি?
আমাদের সভ্যতা যে মানুষকে ভালোবাসে তার প্রমাণ নানাভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। ইসলামের আইন কানুনেও তারই প্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। প্রশ্ন হচ্ছে মুসলমানরা যখন বিজয়ী হয়েছিলো এবং তারা শাসনকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলো তখনো কি তারা ইসলামী আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন করেছে? নাকি জাতিসংঘের আইনের ধারাসমূহের মতো কাগজে কলমেই তা সীমাবদ্ধ থেকেছে? জাতিসংঘ যেদিন মানবাধিকার আইনটি ঘোষণা করেছে সেদিন বিশ্বজুড়ে উৎসব পালন করা হয়েছিলো। এখনো সেই ঘোষণার দিনে আগের মতোই উৎসব পালন করা হয়। কিন্তু বিশ্বের বড়ো বড়ো রাষ্ট্র এবং সরকার প্রতিদিন প্রতিমাসে প্রতি বছর তো হাজার বার মানবাধিকার লংঘন করে চলেছে তার জন্যে মাতম করা দরকার নয়কি? যদি তাই হয় তবে এই ঘোষণা কি নিরর্থক হয়ে যায়নি? ফরাসী বিপ্লবের নীতিমালা ফ্রান্ত পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। নিউইয়র্কের সমুদ্র তীরে স্বাধীনতার যে ভাস্কর্য তৈরী করা হয়েছে সেটি তো সবাই দেখতে পায়। আমেরিকার বাইরের কোনো দেশে কি এরকম ভাস্কর্য তৈরী করা হয়েছে? অথচ আমেরিকাই আজ দেশে দেশে মানবাধিকার লংঘন করে চলেছে। যারা স্বাধীনতা দাবী করছে তাদের ওপর অমানুষিক অত্যাচার নির্যাতন চালানো হচ্ছে।
ইসলামী সভ্যতার ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায় মুসলমানরা যা বলেছে তা তারা কাজে পরিণত করে দেখিয়েছে। আমাদের সভ্যতায় মানুষের প্রতি ভালোবাসার যে দিকটি রয়েছে সেদিকে দৃষ্টি দেয়া আমাদের কর্তব্য। আমাদের ইতিহাস সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, ইসলামের মানবাধিকার কেমন মর্যাদা লাভ করেছিলো। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাদের সভ্যতা সর্বদাই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।
প্রথম সাক্ষ্য
হযরত আবু যর গেফারী (রা.) ছিলেন গেফার গোত্রের অধিবাসী। কোনো একটি বিষয়ে তিনি হযরত আবু বকর (রা.)-এর স্বাধীন করে দেয়া গোলাম হযরত বেলালের ওপর রাগানি¦ত হন। তারা উভয়েই ছিলেন সাহাবা। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হযরত আবু যর (রা.) হযরত বেলাল (রা.)-কে বললেন, ইবনুস সাওদা। (অর্থাৎ কালো চামড়ার অধিকারী হাবশীর পুত্র)।
সাথে সাথেই হযরত বেলাল (রা.) রসূল (স.)-এর কাছে অভিযোগ করলেন। রসূল (স.) হযরত আবু যর (রা.)-কে বললেন, তুমি তাকে তার মা তুলে খোঁটা দিয়েছো। মনে হয় তোমাদের মধ্যে এখনো জাহেলিয়াত অবশিষ্ট রয়ে গেছে। হযরত আবু যর (রা.) মনে করেছিলেন জাহেলিয়াত হচ্ছে যৌন দুষ্কর্মÑ যে কাজে যুবকরাই শুধু লিপ্ত হতে পারে। এ কারণে আবু যর রসূল (স.)-কে বললেন, হুযুর এই বৃদ্ধ বয়সে? রসূল (স.) বললেন, হাঁ, বেলাল তোমার ভাই। হযরত আবু যর (রা.) গভীর অনুতপ্ত হলেন। তিনি তওবা করলেন। বিনয়ের সঙ্গে বেলালকে বললেন, বেলাল যেন পা দিয়ে তার মুখে আঘাত করে।
দ্বিতীয় সাক্ষ্য
রসূল (স.)-এর জীবদ্দশায় বনী মাখযুম গোত্রের একজন মহিলা চুরি করেছিলো। শাস্তি দেয়ার জন্যে তাকে রসূল (স.)-এর কাছে উপস্থিত করা হলো। কোরায়শরা এ বিষয়টি তাদের জন্যে মর্যাদাহানিকর মনে করলো। তারা চিন্তা করলো, মহিলার শাস্তি ক্ষমা করে দেয়ার জন্যে রসূল (স.)-এর কাছে সুপারিশ করতে হবে। উসামা ইবনে যায়েদকে রসূল (স.) ভীষণ স্নেহ করতেন। কোরায়শরা মহিলার বিষয়ে সুপারিশ করার জন্যে উসামাকে রাযি করালেন। উসামা রসূল (স.)-এর কাছে সুপারিশ করলেন। রসূল (স.) ভীষণ অসন্তুষ্ট হলেন। তিনি উসামাকে বললেন, আল্লাহর আইন লংঘনের জন্যে তুমি আমার কাছে সুপারিশ করছো। রসূল (স.) তারপর সাহাবাদের সমবেত করে একটি আবেগপূর্ণ ভাষণ দিলেন। সে ভাষণে তিনি বললেন, তোমাদের পূর্ববর্তী জাতিগুলোর ধ্বংসের অন্যতম কারণ ছিলো এই যে, তাদের মধ্যেকার অভিজাত কেউ যদি চুরি করতো তবে তাকে ছেড়ে দেয়া হতো, অপরদিকে যদি দুর্বল কেউ চুরি করতো তবে তাকে শাস্তি দেয়া হতো। আল্লাহর কসম, যদি আমার কন্যা ফাতেমাও চুরি করতো তবু চুরির নির্ধারিত শাস্তি অনুযায়ী আমি তার হাত কেটে দিতাম।
তৃতীয় সাক্ষ্য
কয়েস ইবনে মোতাতিয়া ছিলো একজন মোনাফেক। সে একবার এক মজলিসে এসে উপস্থিত হলো। সে সময় মজলিসে বসেছিলেন সালমান ফারসী (রা.) সোহায়েব রুমী (রা.) এবং হযরত বেলাল (রা.)। আগন্তুক মোনাফেক এসে বললো, আওস এবং খাজরাজ তো সেই ব্যক্তিকে (মোহাম্মদ (স.) সাহায্য করেছে কিন্তু বুঝতে পারছি না ওদের (সালমান, সোহায়ব, বেলাল) কি হয়েছে? হযরত মায়ায ইবনে জাবাল (রা.) সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি কয়েস ইবনে মোতাতিয়ার জামার কলার ধরে তাকে টেনে রসূল (স.)-এর কাছে নিয়ে এলেন এবং বললেন, এই ব্যক্তি এসব কথা বলেছে। রসূল (স.)-এর চেহারা ক্রোধে লাল হয়ে গেলো। তিনি নিজের চাদর চানতে চানতে মসজিদে নববীতে এলেন। তারপর ঘোষনা দেয়া হলো ‘আস সালাতু জামেয়াতুন’। (অসময়ের কোনো সমাবেশ আয়োজন উপলক্ষে এ রকম ঘোষণা দেয়া হতো)। রসূল (স.) সমবেত লোকদের উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে বললেন, হে লোক সকল, মনে রেখো, তোমাদের প্রতিপালক এক, তোমাদের পিতামাতা এক এবং তোমাদের ধর্মও এক। ইবনে আসাকের যুহরীর বর্ণনায় হাদীসের এটুকুই বর্ণনা করেছেন। হাদীসের অবশিষ্ট অংশ হচ্ছে এই যে, (সেই ভাষণে রসূল (স.) আরো বলেন) আরব হওয়ার উপাধি কেউ পিতার ঔরস থেকে অথবা মায়ের গর্ভ থেকে লাভ করে না। আরবী হচ্ছে একটি ভাষা। যারা আরবী ভাষায় কথা বলবে তারাই আরবী।
পঞ্চম সাক্ষ্য
একুশ বছরের কঠিন সংগ্রামের পর রসূল (স.) মক্কা জয় করেন। যারা তাকে অবিশ্বাস করেছিলো তাকে মক্কা থেকে বের করে দিয়েছিলো, তাঁর সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলো সে সময় তারা ছিলো পরাজিত হয়ে তাঁর সামনে উপস্থিত। বিজয়ীর মর্যাদায় অভিষিক্ত হয়েও রসূল (স.) সেই নীতি অনুসরণ করলেন এবং সেই দাওয়াত দিলেন যে দাওয়াত তিনি মক্কার পথে প্রান্তরে এক সময় খালি পায়ে হেঁটে হেঁটে দিতেন। মদীনার শাসক হিসেবেও তিনি একই দাওয়াত দিয়েছিলেন। অথচ মক্কা বিজয়ের পর রসূল (স.) সম্পূর্ণ এক নতুন সভ্যতার ভিত্তি স্থাপন করতে যাচ্ছিলেন। এতোদিন পর্যন্ত তিনি যে তাবলীগ করছিলেন আজো সেই তাবলীগের কথাই বললেন। কাবা ঘরের দরোজায় দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, হে কোরায়শ, মহান আল্লাহ তায়ালা আজ জাহেলিয়াত থেকে তোমাদের মুক্তি দিয়েছেন। তোমাদের পিতা পিতামহের গর্ব অহংকার চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে গেছে। মনে রেখো সকল মানুষ এক আদমের সন্তান আর আদম মাটি থেকে তৈরী।
কোরায়শরা এক সময় উদ্ধৃত আচরণ করছিলো। তারা রসূল (স.)-এর সঙ্গে চরম খারাপ আচরণ করেছিলো। তারা সবাই মাথা নীচু করে দাঁড়িয়ে রইলো। রসূল (স.) কোরআনের এই আয়াত পাঠ করলেনÑ ‘হে লোক সকল আমি তোমাদেরকে একজন পুরুষ এবং একজন নারী থেকে সৃষ্টি করেছি। তারপর তোমাদের বিভিন্ন দলে এবং গোত্রে বিভক্ত করেছি যেন তোমরা একে অন্যকে চিনতে পারো। নিসন্দেহে তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সে ব্যক্তিই অধিক সম্মানিত যে ব্যক্তি অধিক পরহেযগার।’ (সূরা আল হুজুরাত, আয়াত ১৩)

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY